আউটসোর্সিং কি? আউটসোর্সিং এর পরিপূর্ণ গাইডলাইন- Newfreelancing

0Shares

 

আউটসোর্সিং হল সবচেয়ে চাহিদাপূর্ণ ক্যারিয়ারগুলোর মধ্যে একটি।

আপনি যদি খুব অল্প সময়ের মধ্যে কোন একটি দক্ষতার মাধ্যমে ইনকাম করে নিজেকে স্বাবলম্বী করে তুলতে চান।

তাহলে, আউটসোর্সিং এর গাইডলাইন গুলো আপনার জন্য একটি উত্তম উপায়।

তবে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে আপনাকে হতে হবে ধৈর্য্যশীল, দক্ষ এবং ইউনিক।

এই পুরো আউটসোর্সিং ইন্ডাস্ট্রিটি ইন্টারনেট এর মাধ্যমের উপর নির্ভরশীল।

তাই এখানে আপনাকে প্রত্যেক বার নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করতে হবে কাজ পাওয়ার জন্যে।

সময়ের প্রতি খুবই সতর্ক হওয়ার পাশাপাশি আপনাকে সততা ও আত্মবিশ্বাসের সাথে কাজ করতে হবে সবসময়।

যাই হোক, আজকে আমি আউটসোর্সিং কি এবং কিভাবে করতে হয়, তার একটি বিশদ দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা করব।

 

এই আর্টিকেলে কি কি থাকছে?

আউটসোর্সিং কি বা কাকে বলে :

what is outsourcing in bangla?

আউটসোর্সিং মূলত একটি ব্যবসায়িক শব্দ।

যার মানে হচ্ছে- কোন কাজ কোম্পানির অভ্যন্তরীণ কর্মচারীকে দিয়ে না করিয়ে সেই কাজ বাইরের কাউকে দিয়ে করিয়া নেওয়া।

তবে আমরা যে আলোচনা করতে যাচ্ছি, সেই দিক দিয়ে বলতে গেলে, আউটসোর্সিংকে ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে ব্যবহার করা বুঝায়।

মানে হচ্ছে, আপনি যদি যেকোন একটি বিষয়ে পারদর্শী হতে হবে।

আর সেই কাজ অন্য কোন কোম্পানি বা ব্যবসার জন্যে করতে চান, তখন সেটাকে ফ্রিল্যান্সিং বুঝায়।

তবে, আমরা শুরুতে আউটসোর্সিং কে ফ্রিল্যান্সিং এর সাথেই আলোচনা করতে যাচ্ছি।

কারণ, আমাদের মূল উদ্দ্যেশ্য হচ্ছে, আপনি কিভাবে আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং করে নিজেকে স্বাবলম্বী করে তুলতে পারেন।

আপনাকে মনে রাখতে হবে যে, আপনি আউটসোর্সিং করছেন না।

বরং যারা আউটসোর্সিং করছে, তাদের জন্যে কাজ করছেন।

একটু কনফিউজিং লাগছে? ঠিক আছে, বিষয়টি সহজ করে দিই।

মূলত কোন কোম্পানি বা ব্যবসায়ীরা আউটসোর্সিং করে।

আর ফ্রিল্যান্সাররা সেই সেবা বা সার্ভিসগুলো প্রদান করে যেগুলো ঐ কোম্পানিগুলো আউটসোর্সিং করার চেষ্টা করছে।

 

একটি উদাহরণের সাথে বুঝার চেষ্টা করি।

মনে করেন, আপনি একটি বড় কোম্পানির মালিক, আর আপনার একটি কাজের জন্যে জনশক্তি প্রয়োজন।

কিন্তু, জনবলের অভাবে ঐ কাজ আপনার নিজের কর্মচারী দিয়ে করিয়ে নেয়া সম্ভব না।

অথবা, আপনার কোম্পানির কর্মচারী দিয়ে করাতে গেলে যে ব্যয় হবে সেটা আপনার বাজেটের থেকে বেশি হয়ে যায়।

তখনই আপনি চিন্তা করলেন একজন বাইরের ফ্রিল্যান্সার দিয়ে এই কাজটি করিয়ে নিবেন কম খরচে।

আপনার সেই কাজের জন্য বিভিন্ন আউটসোর্সিং প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। যেমন, ফাইভার, আপওয়ার্ক, পিপল পার আওয়ার ইত্যাদি।

 

আউটসোর্সিং এর পরিপূর্ণ গাইডলাইন :

আউটসোর্সিং এর মূল উদ্দেশ্য :

যদি ব্যবসায়িক দিক থেকে বলি তাহলে দুটি উদ্দেশ্যের যেকোন একটি হতে পারে।

যদিও আগের উদাহরণে দুটি বিষয়েই উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যাপারটা সেরকমই।

মানে আপনি কোন কাজ বাইরের অন্য মানুষকে দিয়ে করিয়ে নিতে চাচ্ছেন সেটা সময় বাঁচানোর জন্যে।

কম খরচে কাজ করার জন্যে অথবা অস্থায়ী কাজের জন্যে স্থায়ী কাউকে নিয়োগ না করার জন্যে।

যেকোন কারণে হতে পারে।

তবে তার মধ্যে বাজেট কমানো এবং নতুনভাবে নিয়োগ না করেও কাজ ভালভাবে করিয়ে নিয়ে আসার প্রবণতা থেকেই মূলত তা হয়ে থাকে।

আর ফ্রিল্যান্সিং দিক থেকে বলতে গেলে তা হবে, ফ্রিল্যান্সাররা মূলত তাদের সেবা প্রদান করার জন্যে ঐসব কোম্পানিকে প্রস্তাব করে বা কাজ আউটসোর্স করে থাকে।

মানে হচ্ছে একজন কাজ করিয়ে নেওয়ার জন্যে আউটসোর্স করে, আর ফ্রিল্যান্সাররা কাজ করে দেওয়ার জন্যে আউটসোর্স করে।

 

আউটসোর্সিং করতে যে বিষয় জানতে হবে :

আউটসোর্সিং করতে হলে বেশ কিছু বিষয় জানা থাকা প্রয়োজন হয়।

তবে আপনাকে কিছু বিষয় সব সময় মনে রাখতে হবে, তা না হলে হয়তো আপনি এই ইন্ডাস্ট্রিতে উঠে দাঁড়াতে পারবেন না।

 

কি কি বিষয় মাথায় রাখতে হবে বা মনে রাখতে হবে আউটসোর্সিং করতে

১. নির্দিষ্ট বিষয়ে ভাল দক্ষতা

২. নির্দিষ্ট প্লাটফর্মে আবেদন করার যোগ্যতা

৩. আবেদনে সাড়া পেলে সঠিক সময়ের মধ্যে কাজ করে দেওয়া

৪. কাজ শেষে বায়ার এপ্রুভালের পরেই শুধু পারিশ্রমিক পাওয়া যাবে

বিশেষ করে আউটসোর্সিং বিষয়ে নতুনদের যে দক্ষতাগুলি থাকতেই হবে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ধৈর্য্য ধরে লেগে থাকা।

আর নতুন নতুন কাজ শিখতে থাকা অথবা সে যে বিষয়ে দক্ষ সে বিষয়ে নিজের জ্ঞানকে আরও উন্নত করা।

নতুন নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে নিজেকে আরও বেশি দক্ষ করে তোলা।

 

কিভাবে আউটসোর্সিং শিখা যায় :

এখন পর্যন্ত আমি যা আলোচনা করেছি, তাতে আপনি হয়তো বুঝতে পেরেছেন যে আউটসোর্সিং করতে হলে আপনাকে আসলে তেমন কোন কিছু শিখতে হবে না।

আপনাকে শুধুমাত্র জানতে হবে যে, কোথায় ফ্রিল্যান্সাররা তাদের সার্ভিস প্রদান করছেন।

আসলে এরকম বেশ কিছু প্লাটফর্ম আছে যেখানে ফ্রিল্যান্সাররা তাদের বিভিন্ন দক্ষতা উপস্থাপন করে রাখে বায়ারদের জন্য।

আপনাকে শুধু আউটসোর্সার হিসাবে যে সার্ভিস খুঁজছেন সেটা লিখে সার্চ করতে হবে।

সার্চ করার পর ফ্রিল্যান্সারদের একটি তালিকা আসবে।

সেখান থেকে আপনি আপনার চাহিদা অনুযায়ী ফ্রিল্যান্সার খুঁজে নিয়ে তাকে দিয়ে আপনার কাজ করিয়ে নিতে পারবেন।

তবে হ্যাঁ, ফ্রিলান্সিং করার জন্যে আপনাকে অনেক কিছু শিখতে হবে।

আপনার সেই দক্ষতাকে সুন্দর করে পরিবেশন করতে হবে যেন বায়ার আপনার পরিবেশন দেখে আপনার সাথে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করে।

 

কি কি কাজ করার সুযোগ আছে :

আপনি যেকোন কাজ আউটসোর্স করতে পারেন। তবে যদি জনপ্রিয়তার দিক থেকে দেখেন।

তাহলে, কিছু কাজ আছে যেগুলো অনেক বেশি সেল হয়।

আসুন সেই কাজগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় কিছু কাজের নাম জেনে নিই।

১. ওয়েব ডিজাইন

২. ওয়েব ডেভেলপমেন্ট

৩. গ্রাফিক্স ডিজাইন

৪. ডিজিটাল মার্কেটিং

৫. ওয়েবসাইট মেইন্টেইনেন্স

৬. কপিরাইটিং

৭. ক্রিয়েটিভ ডিজাইন

৮. কাস্টমার সার্ভিস

৯. রিমোট অফিস এসিস্ট্যান্ট

১০. ও সেলস এন্ড মার্কেটিং ইত্যাদি

ফ্রিল্যান্সার হিসাবে আপনি যদি উপরে উল্লেখ করা কাজের ওপরে দক্ষতা অর্জন করতে পারেন।

তাহলে, আপনি অনেক বেশি কাজ পেতে পারেন।

তবে, একই সাথে আপনাকে বাজারে কাজের অবস্থা বুঝতে হবে।

অর্থাৎ, কোন কাজ কখন চলছে বা ভবিষ্যতে কাজের চাহিদা কেমন থাকবে সেটা বুঝতে হবে।

আপনি যদি এটা বুঝতে পারেন, তাহলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করে অনেক টাকা আয় করতে সক্ষম হবেন।

 

আউটসোর্সিং কাজের চাহিদা কেমন :

আউটসোর্সিং কাজের চাহিদা দিন দিন বেড়ে চলেছে।

বিশেষ করে মানুষ এখন যেভাবে সবকিছুর জন্যে অনলাইনের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে।

তাতে সামনের দিনগুলোতে দেখা যাবে সবকিছুই অনলাইনে পাওয়া যাচ্ছে।

আপনি যদি লেগে থাকেন, আর নিজের দক্ষতা বাড়াতে পারেন।

তাহলে, আপনি ফ্রিল্যান্সিং করে আউটসোর্সিং ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক ভাল ফল লাভ করতে পারবেন।

 

আউটসোর্সিং কাজের জন্য কিছু ফ্রিল্যান্সিং সাইট :

বর্তমানে ইন্টারনেটে অনেক আউটসোর্সিং প্লাটফর্ম আছে যেখানে ফ্রিল্যান্সাররা কাজ করছেন।

যেমন-

১. ফাইভার – (Fiverr.Com)

২. আপওয়ার্ক – (Upwork.Com)

৩. ফ্রিল্যান্সার ডটকম – (Freelancer.Com)

৪. পিপল পার আওয়ার- (Peopleperhour.com)

৫. গুরু – (Guru.Com)

 

আউটসোর্সিং এ বাংলাদেশের ভবিষ্যত :

বাংলাদেশ আউটসোর্সিং এ পূর্বের থেকে বর্তমানে অনেক ভাল উন্নতি করছে।

বিভিন্ন সরকারি উদ্যোগ এবং এই স্বাধীন পেশার প্রতি মানুষের আগ্রহ এই সেক্টরে একটি বড় পরিবর্তন নিয়ে এসেছে।

বাংলাদেশে বর্তমানে এমন অনেক ফ্রিল্যান্সার আছেন যারা প্রতি মাসে কয়েক লক্ষ টাকা আয় করে থাকেন।

তবে সরকার যদি ফ্রিল্যান্সারদের পারিশ্রমিক পাওয়ার ক্ষেত্রে ভাল উদ্যোগ নিতে পারেন।

তাহলে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা অনেক ভাল করবে সামনের দিকে।

 

আউটসোর্সিং এর সুবিধা সমূহ :

১. দক্ষ ফ্রিল্যান্সার :

ফ্রিল্যান্সাররা স্বাভাবিকভাবেই একটু বেশি দক্ষ হয়।

কারণ তারা একই কাজ বিভিন্ন বায়ারদের জন্যে একাদিক বার করে থাকে।

এতে তাদের কাজের দক্ষতা সময়ের সাথে সাথে বাড়তে থাকে।

 

২. কাজের ব্যয় :

যেহেতু আউটসোর্সিং করে কাজ করিয়ে নিতে আপনার কোন অফিস অথবা আলাদা নির্ধারিত লোকবলের প্রয়োজনে হয় না।

তাই এই কাজের ব্যয়ও তুলনামূলকভাবে অনেক কম।

 

৩. দ্রুত কাজ করিয়ে নেওয়া :

ফ্রিল্যান্সাররা সব সময়ই নির্ধারিত সময়সীমা মেনে কাজ করার চেষ্টা করে থাকে।

কারণ, দক্ষ লোকেরা কাজ পেয়ে থাকে নিয়মিত।

তাই তারা যত দ্রুত একটি কাজ শেষ করতে পারবে, ততদ্রুত অন্য বায়ারের কাজ শুরু করতে পারবে।

 

৪. বিরতিহীন কাজ :

আউটসোর্সিং করে কাজ করিয়ে নেয়ার আরেকটি সুবিধা হচ্ছে, ফ্রিল্যান্সাররা যেকোন সময় কাজ করে।

অন্যদিকে অফিসে কর্মচারিদেরকে সরকারি ছুটির দিনে ছুটি দিতে হয়।

কিন্তু ফ্রিল্যান্সারদেরকে কোন ছুটি দিতে হয় না।

 

আউটসোর্সিং এর অসুবিধা সমূহ :

১. গোপনীয়তা ভঙ্গ :

যেহেতু ফ্রিল্যান্সাররা আপনার নিয়োগ করা কর্মচারী নয়।

তাই তাদের কাছে আপনার কোম্পানী বা ব্যবসার গোপন বিষয় সম্পর্কে তথ্য থাকতে পারে।

আর সেই তথ্য অন্য কোথাও চলে যেতে পারে।

 

২. দক্ষ ফ্রিল্যান্সার খুঁজে পেতে ব্যর্থ হওয়া :

আপনি যদি ভাল মানের ফ্রিল্যান্সার খুঁজে নিতে ব্যর্থ হন তাহলে আপনি খারাপ কোয়ালিটির কাজ পাবেন।

তাই, কিভাবে ভাল ফ্রিল্যান্সার খুঁজে পাওয়া যাবে তা আপনাকে শিখতে হবে।

 

৩. ব্যবসায়িক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সমস্যা :

আউটসোর্সিং এর ক্ষেত্রে আপনার ব্যবসায়িক নিয়ন্ত্রণের সমস্যা হতে পারে।

কারণ কর্মচারীরা স্বাধীনভাবে কাজ করে।

তারা তাদের ইচ্ছা মত কাজ করে থাকে এবং নিজেদের জীবন নিজেদের মত করে চালায়।

 

অর্থ উত্তোলনের উপায়সমূহ :

আউটসোর্সিং বা ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে ইনকাম করা টাকা উত্তোলন করতে গিয়ে অনেকেই অনেক ধরনের বিড়ম্বনার স্বীকার হয়ে থাকেন।

তবে, আপনি যদি বিচক্ষণতার সাথে আপনার কষ্টার্জিত টাকা উত্তোলনের সঠিক উপায়টি শিখে নেন তাহলে আপনার আর কোন চিন্তা থাকবে না।

আমি এখানে কয়েকটি উপায় নিয়ে আলোচনা করব।

তবুও এই সম্পর্কে আপনার আরও বিস্তারিত জেনে নিতে হবে।

আসলে আপনি যখন কোন একটি প্লাটফর্মের অধীনে কাজ করেন তখন আপনাকে সেই প্লাটফর্মের পারিশ্রমিক প্রদানের প্রক্রিয়া সম্পর্কে জেনে নিতে হবে।

কোন প্লাটফর্মে কোন মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সাররা টাকা উত্তোলন করতে পারবে তার একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা থাকে।

সেটা সবগুলো প্ল্যাটফর্মের জন্যে আলাদা।

যেমন, আপওয়ার্কের নিয়ম অনুযায়ী আপনি সরাসরি বাংলাদেশের ব্যাংক একাউন্টে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।

তবে এক্ষেত্রে লিমিট একটু কম, আর ফি কিছুটা বেশি। আপনি সর্বোচ্চ ৮০০০ ডলার উত্তোলন করতে পারবেন।

এছাড়া পেওনিয়ারের মাধ্যমে আপনার টাকা তুলতে পারবেন আপওয়ার্ক থেকে।

ব্যাংক অথবা পেওনিয়ারের, দুই ক্ষেত্রেই আপনাকে কিছু খরচ বা ফি গুনতে হবে।

আপওয়ার্ক একটি ফি কাটবে, ব্যাংক ও পেওনিয়ারের ফি কাটবে।

আপনি যদি ফ্রিল্যান্সার ডট কম হতে আপনার আয় করা টাকা তুলতে চান?

তাহলে, শুধুমাত্র এক্সপ্রেস উইথড্র সিস্টেমের মাধ্যমে উঠাতে পারবেন।

এছাড়া বাংলাদেশে সাপোর্ট করে এমন কোন পেমেন্ট প্রক্রিয়া এই ওয়েবসাইটি সাপোর্ট করে না।

এছাড়া অন্য যে প্লাটফর্মে আপনি ফ্রিল্যান্সার হিসাবে কাজ করছেন, সেই প্লাটফর্মের পেমেন্ট প্রক্রিয়া সম্পর্কে ভালভাবে পড়ে নিবেন।

তা না হলে হয়ত আপনি আপনার টাকা তুলতে গিয়ে অনেক ঝামেলার মধ্যে পড়তে পারেন।

কিংবা দেখা যাচ্ছে আপনি তুলতে পারছেন না কষ্টার্জিত টাকা।

আমি আউটসোর্সিং এর পরিপূর্ণ গাইডলাইন আলোচনার একেবারে শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছি।

আমি এখানে আউটসোর্সিং এর মোটামুটি সব বিষয়েই আলোচনা করেছি।

যদি আপনি সঠিকভাবে এই আলোচনা পড়ে ও বুঝে থাকেন। তাহলে আর দেরি না করেই আজ থেকেই কাজ করা শুরু করে দিতে পারেন।

 

উপসংহারে,

পরিশেষে বলা যায় যে, আউটসোর্সিং কি? আউটসোর্সিং এর পরিপূর্ণ গাইডলাইন সম্পর্কে এখানে আলোচনা করেছি।

সর্বোপরি, উপরে উল্লেখিত বিষয় গুলো মেনে কাজ করলে ইনশাআল্লাহ আপনি মার্কেটপ্লেসে সফল ও দক্ষতার সাথে সহজেই ভাল ও সঠিক ফলাফল পাবেন।

এই পোস্টের বিষয়ে আপনার কিছু জানার থাকলে বা কোন প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। পোস্টটির মাধ্যমে উপকৃত হয়ে থাকলে অবশ্যই লাইক দিয়ে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন।

আমাদের আরও অন্যান্য পোস্টগুলো ভাল লাগলে অবশ্যই পড়তে পারেন।

এই ধরণের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে এবং টুইটারে ফলো করে রাখতে পারেন।

ধন্যবাদ

 

Leave a Comment