নতুনদের জন্য উত্তম ফ্রিল্যান্সিং সাইট – Best freelancing sites

0Shares

 

নতুনদের জন্য উত্তম ফ্রিল্যান্সিং সাইট গুলো নিয়ে আপনাদের সাথে আলোচনা করব।

বিগেনারদের এই Freelancing site গুলোতে কাজ করা অনেকটা সহজ আর সুবিধা হয়। যে সাইট গুলোতে কাজ করা নতুনদের জন্য উত্তম ফ্রিল্যান্সিং সাইট।

 

নতুনদের জন্য উত্তম ফ্রিল্যান্সিং সাইট :

best freelancing sites –

ফ্রিল্যান্সিংয়ের নাম শোনেন নি এমন মানুষ বোধহয় আজ কাল কার দিনে খুঁজে কম পাওয়া যাবে ৷

রিমোটলি নিজের সুবিধামত সময়ে কাজ করার সুবিধা থাকায় এবং একটা হ্যান্ডসাম অ্যামাউন্ট আয়ের সুযোগ থাকায় অনেকেই এখন ফ্রিল্যান্সিংয়ের দিকে আসছেন ৷

আমাদের সমাজে কোন সাধারণ একটা ব্যাবসা শুরু কর‍তে মূলধন প্রয়োজন হয়।

কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং এক প্রকার ব্যাবসা হওয়া সত্ত্বেও এটা শুরু করা কিছুটা ভিন্ন কারণ। এই সেক্টরে নিজের দক্ষতাই হচ্ছে মূলধন।

অনেক ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন যারা নিজের মতো করে ব্যাবসায়িক ওয়েব সাইট বানিয়ে সেখানে ক্লায়েন্টদের সার্ভিস প্রদান করেন।

কিন্তু যারা নতুন, তাদের পক্ষে শুরুতেই নিজের ওয়েবসাইট থেকে ফ্রিল্যান্সিং করা সম্ভব হয় না।

এই অবস্থায় অনলাইনের ফ্রিল্যান্সিং সাইট গুলো কিন্তু দারুণ সাহায্যকারী। বর্তমানে প্রচুর ফ্রিল্যান্সিং সাইট বা মার্কেটপ্লেস রয়েছে যেগুলোর মধ্যে কাজ করা সবগুলো নতুনদের উপযোগী নয়।

তাই এই লেখায় আমি নতুনদের জন্য উত্তম ফ্রিল্যান্সিং সাইট কোনগুলো সেটা নিয়ে বিশদভাবে আলোচনা করব।

আমি আশা করছি আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা থেকে Best freelancing sites সম্পর্কেসবাই নতুন কিছু জানতে পারবেন।

 

নতুনদের কী প্রথমত ফ্রিল্যান্সিং সাইটের বাহিরে কাজ করা উচিৎ?

আমি জানি এই প্রশ্নটা এখন অনেকের মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। যেহেতু আজকের লেখাটা নতুনদের জন্য উত্তম ফ্রিল্যান্সিং সাইট গুলো নিয়ে, তাই শুরুতেই এই প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছি।

আসলে এটা সত্যি যে, যদি নিজের ফ্রিল্যান্সিং বিজনেস থাকে।

তাহলে, সেখানে ক্লায়েন্টদের সার্ভিস দেয়া অনেক সহজ হয়ে যায়। কারণ নিজের বিজনেসে অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং সাইট গুলোর মতো সার্ভিস দিতে কোন ধরা বাঁধা নিয়ম ফলো করতে হয়না।

মোটকথা, সেখানে স্বাধীন থাকে। কিন্তু একই সাথে এটাও সত্যি যে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে যে একদম নতুন তার কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নিজের ব্যাবসা নিজে দাঁড় করানোর ক্ষমতা থাকে না।

প্রথমত, একে তো তিনি নতুন, যে কারণে তার কাজের আগের অভিজ্ঞতা নেই। তাই ক্লায়েন্টরাও তাকে বিশ্বাস করে তার থেকে সার্ভিস নেবেন না।

দ্বিতীয়ত, শুধুমাত্র কোন একটা সেক্টরে দক্ষতা থাকলেই সেটাকে কাজে লাগিয়ে ব্যাবসা দাঁড় করানো যায় না। বরং এক্ষেত্রে প্রয়োজন যথেষ্ঠ অভিজ্ঞতা, মার্কেটিং এবং যোগাযোগ দক্ষতা।

 

নতুনদের জন্য উত্তম ফ্রিল্যান্সিং সাইট কোন গুলো ?

এখন নিশ্চয়ই এতটুকু বুঝতে পারছেন যে নতুনদের জন্য প্রথমত নিজের ফ্রিল্যান্সিং বিজনেস দাঁড় করানো কতটা কঠিন এবং চ্যালেঞ্জিং?

ঠিক এই কারণেই আমি বলবো নতুনদের বিভিন্ন অনলাইন Freelancing site গুলোতে কাজ করতে।

এতে করে তাদের নিজেদের কাজের সেক্টরে অভিজ্ঞতা বাড়বে যা তাদের কনফিডেন্স বুস্টআপ করবে ৷

পাশাপাশি বিভিন্ন ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করার ফলে যোগাযোগ দক্ষতা বাড়বে এবং ঠিক কিভাবে মার্কেটিং করলে ক্লায়েন্টদেরকে আকর্ষণ করতে পারবেন সেটাও তারা বুঝতে পারবেন।

তাই আমি নতুনদেরকে উপদেশ দিব প্রথমে অনলাইনের ফ্রিল্যান্সিং সাইটে কিছুদিন কাজ করতে। ফলে, এতে করে দিন শেষে সবচেয়ে বড় লাভ তারাই পাবে।

 

ফ্রিল্যান্সিং সাইটে কাজ করার সুবিধা এবং অসুবিধা :

প্রত্যেকটা কাজেরই কিছু সুবিধা ও অসুবিধা থাকে। ফ্রিল্যান্সিং সাইটে কাজ করার ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা একই।

তাহলে চলুন আর দেরি না করে জেনে নেওয়া যাক একজন নতুন ফ্রিল্যান্সার অনলাইনের বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং সাইটে কাজ করার সময় কী কী সুবিধা এবং অসুবিধার সম্মুখিন হতে পারেন।

 

ফ্রিল্যান্সিং সাইটে কাজ করার  সুবিধা :

Advantages of freelancing site –

১। নিজের সেক্টরে বায়াররা ঠিক কেমন ধরণের সার্ভিস চাচ্ছেন সেটা বুঝতে পারা।

২। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণকম সময়ে কাজ খুঁজে পাওয়া সম্ভব হওয়া এবং একইসাথে সহজেই পেমেন্ট পাওয়া।

৩। কিভাবে ক্লায়েন্টদের সাথে কমিউনিকেট করলে তাদেরকে বুঝানো সম্ভব সেই ব্যাপারে ধারণা হওয়া ।

৪। বিভিন্ন প্রজেক্টে কাজ করার ফলে অভিজ্ঞতা বাড়ায় যা নিজের রেপুটেশন বাড়াতে সাহায্য করে।

 

ফ্রিল্যান্সিং সাইটে কাজ করার  অসুবিধা :

Difficulties of freelancing site –

১। ফ্রিল্যান্সিং সাইটের সবচেয়ে বড় অসুবিধা হলো এসব সাইটে নিয়ম কানুন ফলো করতে হয়। একটু ভূল হলেই অ্যাকাউন্ট টেম্পোরারিলি সাসপেন্ডেড অথবা পারমানেন্টলি ব্যানড হতে পারে।

২। অনেক সময় ক্লায়েন্টরা অল্প পেমেন্টের বিনিময়ে ফ্রিল্যান্সারদেরকে বেশি কাজ করিয়ে থাকেন। এছাড়াও ফেইক ক্লায়েন্টস থাকেন যারা আসলে সার্ভিস নেওয়ার কথা বলে স্ক্যাম করে।

৩। কিছু ফ্রিল্যান্সিং সাইটে কাজ করার বিনিময়ে বেশি পরিমাণে ফ্রী দিতে হয় যেটা নতুরদের পক্ষে যোগান দেওয়া কিছুটা কঠিন হয়ে যায়।

৪। একই সেক্টরে আরো অনেক ফ্রিল্যান্সার সার্ভিস প্রোভাইড করায় কম্পিটিশন হাই থাকে যার ফলে নতুনরা কাজ খুঁজে পেতে সংগ্রাম করে থাকেন।

 

নতুনদের জন্য উত্তম ফ্রিল্যান্সিং সাইট কোন গুলোকে বলা যেতে পারে?

বর্তমানে বাংলাদেশের অনেকে অনলাইনের বিভিন্ন Freelancing site এ বেশ দাপটের সাথে কাজ করছেন।

সত্যি বলতে ফ্রিল্যান্সিং সাইটের সংখ্যা অনেক। একারণে একজন নতুন ফ্রিল্যান্সার পক্ষে তার জন্য কোন সাইটে কাজ করা সুবিধাজনক হবে সেটা খঁজে বের করা কিন্তু বেশ কঠিন।

তাই এখন আমি সবাইকে ধারণা দেয়ার চেষ্ঠা করব নতুনদের জন্য উত্তম ফ্রিল্যান্সিং সাইট কোনগুলো সেটা সম্পর্কে।

 

১। ফাইভার :

ফ্রিল্যান্সিং সাইট কথাটা উচ্চারণ করলে সবার আগে যে সাইটের কথা মাথায় আসে, তা হলো ফাইভার।

ফাইভার ওয়ার্ল্ডের সবচেয়ে বড় অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোর একটা।

এখানে ফ্রিল্যান্সাররা বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ( যেমনঃ গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ডিজিটাল মার্কেটিং) গিগ ক্রিয়েট করে নিজেদের সার্ভিস সেল করে থাকেন।

এখানে একজন বিগিনার লোয়েস্ট ৫ ডলার থেকে শুরু করে নিজের দক্ষতা অনুযায়ী ভালো পেমেন্টের কাজ খুঁজে নিতে পারেন।

এই প্ল্যাটফর্মে ফ্রিল্যান্সাররা সাধারণত পেওনিয়ার, পেপাল কিংবা ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে পেমেন্ট উইথড্র করে থাকেন।

২। আপওয়ার্ক :

ফাইভারের মতো আপওয়ার্কও বিগিনারদের জন্য বেস্ট ফ্রিল্যান্সিং সাইট গুলোর একটা।

আপওয়ার্ক বিগিনার এবং প্রফেশনাল দুইধরণের ফ্রিল্যান্সারদের জন্যই ভালো একটা মার্কেটপ্লেস যেখানে আওয়ারলি রেটে এবং ফিক্সড রেটে পেমেন্ট পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

এই সাইটেও বায়ারদেরকে নিজের এক্সপার্টাইজ অনুযায়ী বিভিন্ন ক্যাটাগরির সার্ভিস অফার করতে পারবেন।

যেমন, এসইও, ডিজিটাল মার্কেটিং, আর্টিকেল রাইটিং, গ্রাফিক ডিজাইন ইত্যাদি। তবে এখানে কাজ পেতে হলে অবশ্যই বিড কর‍তে হয়।

আপওয়ার্কের একটা ভালো সাইড হচ্ছে, এই সাইটে বিগিনাররা যদি নিজেদের স্কিল একবার প্রুভ করতে পারেন, তাহলে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হবেনা।

 

৩। ফ্রিল্যান্সার ডট কম :

ফ্রিল্যান্সার ডট কম আগে এত জনপ্রিয় না হলেও যত দিন যাচ্ছে ততই এই সাইটের জনপ্রিয়তা বাড়ছে।

অস্ট্রেলিয়া বেজড এই অনলাইন মার্কেটপ্লেসে একজন বিগিনার ফ্রিল্যান্সিংয়ের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে কাজ করার সুযোগ পাবেন।

এই সাইটে বর্তমানে প্রচুর কাজ পাওয়া যায়, তাই যদি একজন বিগিনার এই সাইটে ইফোর্ট দিয়ে কাজ করেন।

তাহলে, খুব তাড়াতাড়িই সার্ভিস প্রোভাইড করা শুরু করতে পারবেন। এই সাইটে ফ্রিক্সড প্রাইজ রেট এবং একইসাথে আওয়ারলি রেট এ দুই ধরণের রেটেই পেমেন্ট পাওয়ার সুবিধা রয়েছে।

অন্যান্য ফ্রিল্যান্সিং সাইটের মতো এই সাইটেও পেওনিয়ার, পেপাল কিংবা ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে টাকা উইথড্র দিতে পারবেন।

 

৪। পিপল পার আওয়ার :

পিপল পার আওয়ার হচ্ছে জনপ্রিয় একটা ডুয়াল মার্কেটপ্লেস যেখানে আপনি চাইলে বিড করেও কাজ পেতে পারেন আবার একইসাথে ফিক্সড রেটেও কাজ পেতে পারেন।

পিপল পার আওয়ারে ঘন্টা বা আওয়ারলি রেটে কাজ করা যায় এবং সে অনুযায়ী পেমেন্ট নেয়া যায়।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক এই অনলাইন মার্কেটপ্লেসে একজন ফ্রিল্যান্সারের দক্ষতাকে অনেক বেশি মূল্য  দেয়া হয়।

একারণে এই সাইটে প্রত্যেকটা কাজের জন্য রেটও অন্যান্য সাইটের তুলনায় অনেক বেশি।

এখানে একজন ফ্রিল্যান্সার ক্লায়েন্টদেরকে সোশাল মিডিয়াবেজড সার্ভিস, এসইও, রাইটিং সার্ভিস, ডেটা এন্ট্রি, ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি রিলেটেড সার্ভিস অফার করতে পারেন ।

মূলত এই সাইট গুলোকেই আমি নতুনদের জন্য উত্তম ফ্রিল্যান্সিং সাইট বলবো।

তবে এ সাইট গুলোতে কাজ করার সময় কিছু সতর্কতা অবলম্বন করবেন।

যেমন, সঠিক তথ্য দিয়ে অ্যাকাউন্ট তৈরি করা, সাইটের নিয়ম কানুন ফলো করা, সঠিক সময়ের মধ্যে ক্লায়েন্টকে সার্ভিস ডেলিভারি দেয়া।

একই ডিভাইস থেকে একটার বেশি অ্যাকাউন্ট তৈরি না করা ইত্যাদি।

 

এক্ষেত্রে আমি নতুরদের আরেকটা পরামর্শ দিতে চাই।

সেটা হলো কখনোই সবগুলো ফ্রিল্যান্সিং সাইটে একসাথে কাজ করা উচিৎ নয়।

কারণ, এই ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলো সাধারণত ফ্রিল্যান্সারদেরকে তাদের দক্ষতা এবং সার্ভিস প্রোভাইড করার গুনগত মান অনুযায়ি রেকিং করে থাকে।

যা ফ্রিল্যান্সারদের বেশি বেশি কাজ পাওয়ার সুযোগ বাড়িয়ে তোলে।

তাই যদি আপনি একসাথে তিন চারটা সাইটে টাইম দিতে যান, তাহলে দেখবেন কোনো সাইটেই নিজের রেপুটেশন বাড়াতে পারবেন না।

ফলে, একূল অকূল দুই কূলই যাবে। তাই সবসময় চেষ্ঠা করবেন যেকোন একটা বা দুইটা ফ্রিল্যান্সিং সাইটে বেশি সময় ও ইফোর্ট দিয়ে নিজের রেপুটেশন বাড়ানোর।

এটুকুই ছিলো নতুনদের জন্য উত্তম ফ্রিল্যান্সিং সাইট নিয়ে আলোচনা।

তবে সবশেষে, আমি সব নতুন ফ্রিল্যান্সাদের একটা কথা বলতে চাই, সেটা হলো কখনোই দীর্ঘ সময়ের জন্য এসব সাইটে কাজ করার মন মানুষিকতা রাখবেন না।

মনে রাখবেন, আপনার মূল লক্ষ্য হচ্ছে নিজের ফ্রিল্যান্সিং ব্যাবসা স্থাপন করা, আর সেটার জন্যই অভিজ্ঞতা অর্জন করতে এবং নিজের দক্ষতা বাড়াতেই এসব অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করছেন।

তাই কিছু সময় এসব মার্কেটপ্লেসে কাজ করুন, তারপর নিজের ব্যাবসা উন্নত করার দিকে অগ্রসর হন।

কারণ দিন শেষে নিজের মতো স্বাধীনভাবে কাজ করার মজাই আলাদা তাই না?

 

পরামর্শ : প্রথমত best freelancing sites এ রেজিস্ট্রেশন করুন। তারপর বিভিন্ন ক্যাটাগরির ধাপ গুলো সঠিক ভাবে পূরণ করে সুন্দর একটি প্রোফাইল তৈরি করে কাজ শুরু করুন।

সর্তকতা : Freelancing marketplace এ কাজ করতে হলে প্রথমে আপনাকে যেকোন বিষয়ে দক্ষ হয়ে যেতে হবে। তা নাহলে সফলতা অর্জন করতে পারবেন না।

আরও পড়ুন-

 

উপসংহারে,

পরিশেষে বলা যায় যে, নতুনদের জন্য উত্তম ফ্রিল্যান্সিং সাইট। Best freelancing sites সম্পর্কে এখানে আলোচনা করেছি।

সর্বোপরি উপরে উল্লেখিত বিষয় গুলো মেনে কাজ করলে ইনশাআল্লাহ আপনি সফল ভাবে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন।

নতুনদের জন্য উত্তম ফ্রিল্যান্সিং সাইট গুলো ব্যতিত আপনি যদি আরও কোন বিষয় সম্পর্কে জানতে চান তা হলে আমাকে কমেন্ট করে জানাবেন।

পোস্টটির মাধ্যমে উপকৃত হয়ে থাকলে অবশ্যই লাইক দিয়ে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন।

সবসময় সুস্থ, সুন্দর ও নিরাপদে ভাল থাকবেন। আমাদের আরও অন্যান্য পোস্টগুলো ভাল লাগলে অবশ্যই পড়তে পারেন।

এই ধরণের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে এবং টুইটারে ফলো করে রাখতে পারেন।

ধন্যবাদ

 

Leave a Comment