কনটেন্ট রাইটিং কি? এস ই ও ফ্রেন্ডলি Content writing করার নিয়ম

0Shares

 

আপনি কি Content writer হতে চান? বতর্মানে এস ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট রাইটিং এর গুরুত্ব অনেক।Content writing করে অনলাইনে ইনকাম করা যায়।

এস ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট রাইটিং অনপেজ এস এর একটি গুরুত্বপূর্ন অংশ।

যা একটি ওয়েবসাইটের কনটেন্ট বা আর্টিকেলকে গুগল সার্চ ইন্জিনে রেংক করানোর জন্য গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে থাকে।

একজন কনটেন্ট রাইটারের কাজ হচ্ছে লেখালেখি করা।

সে যে কোন বিষয়ে লেখালেখি করতে পারে। কিন্তু সে লেখা হতে হবে বাস্তব তথ্য ভিত্তিক এবং মাধুর্য্য পূর্ন।

যা থেকে যে কেউ শিক্ষামূলক, জ্ঞানমূলক এবং কল্যানমূলক কিছু পেতে পারে।

আর এই লেখা তখনই স্বার্থক প্রানবন্ত হবে যখন তাকে এস করা হবে।

কোন কনটেন্টকে এস করতে হলে কিছু নিয়ম ফলো করতে হয়।

তাই আজ আমরা জানব কিভাবে এস ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট রাইটিং করতে হয়।

সে বিষয়ে কিছু টিপস আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করব।

 

কনটেন্ট রাইটিং কি – What is content writing in Bangla?

কনটেন্ট রাইটিং কি? সম্পর্কে জানার আগে আপনাকে জানতে হবে কনটেন্ট কি ?

কনটেন্ট হচ্ছেকোন লেখা, ছবি, ভিডিও এবং অডিও ইত্যাদি তৈরি করে যে বিষয় গুলো ব্লগসাইট বা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করি তাই হচ্ছে কনটেন্ট।

মোটকথা ওয়েবসাইট বা ব্লগসাইটে আমরা যা কিছু উপস্থাপন করে থাকি তাই হচ্ছে কনটেন্ট।

আর কনটেন্ট রাইটিং হচ্ছে যখন কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে লেখালেখি করি তখন তাকে Content writing বলা হয়ে থাকে।

সহজ কথায় বলা যায়,

যখন কোন বিষয়ে মনের মাধুরী মিশিয়ে লেখালেখি করেন, তখন তাকে কনটেন্ট রাইটিং বলা হয়ে থাকে।

কনটেন্ট রাইটিংকে article writing বলা হয়ে থাকে।

 

কনটেন্ট রাইটিং কি কি ধরনের হয়ে থাকে :

কনটেন্টকে বলা হয়ে থাকে King of website. অর্থাৎ কনটেন্ট হচ্ছে কোন ওয়েব সাইটের রাজা।

content ছাড়া কোন ওয়েবসাইট মুল্যহীন।

কনটেন্ট সাধারত চার ধরনের হয়ে থাকে। যথা

 

. Text Content :

Text Content বা লেখা কনটেন্ট হচ্ছে লেখালেখি করার মাধ্যমে যে কনটেন্ট তৈরি করা হয়ে থাকে, তাকে Text Content বলা হয়।

যেমন, এই কনটেন্ট যে আমরা লিখছি, এটা হচ্ছে Text Content.

 

. Image Content :

Image Content বা ছবি কনটেন্ট হচ্ছে ছবি বা কোন চিত্রের মাধ্যমে যখন কোন কনটেন্ট তৈরি করা হয়ে থাকে, তখন তাকে Image Content বলা হয়।

যেমন, গ্রাফিক্স এলিমেন্টস, ছবির মাধ্যমে কোন দৃশ্য ফুটিয়ে তোলা ইত্যাদি।

 

. Audio Content :

Audio Content বা অডিও কনটেন্ট হচ্ছে যখন কোন সাউন্ড বা শব্দের ভিত্তিতে কনটেন্ট তৈরি করা হয়, তখন তাকে Audio Content বলা হয়ে থাকে।

যেমন, মিউজিক কনটেন্ট, টিউটরিয়াল কনটেন্ট ইত্যাদি।

 

. Video Content :

ভিডিও কনটেন্ট হচ্ছে ভিডিও তৈরির মাধ্যমে যে কনটেন্ট তৈরি করা হয়ে থাকে, তখন তাকে Video Content বলা হয়।

যেমন, ইউটিউবে আমার যে ভিডিও গুলো দেখে থাকি গুলো এক একটা ভিডিও কনটেন্ট।

 

এস ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট রাইটিং করার নিয়ম :

Content writing হচ্ছে একটি ব্লগসাইট বা ওয়েবসাইটের জন্য খবুই গুরুত্বপূর্ন। তবে সে কনটেন্ট হতে হবে এস ফ্রেন্ডলি।

অর্থাৎ, কনটেন্ট হতে হবে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজ কৃত।

সার্চ ইন্জিনের মাধ্যমে একটি সাইটকে বা কনটেন্টকে সহজে খুঁজে পাওয়া সম্ভব।

একটি উদাহরনের মাধ্যমে আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

ধরুন, আপনি একজন বিক্রেতা আপনার কাছে ১০০ টি আপেল রয়েছে।

তার মধ্যে দেশি আপেল ৩৫ টি, বিদেশি আপেল ৩০ টি এবং নষ্ট বা কম দামের আপেল ৩৫টি রয়েছে।

এগুলো যদি ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে, তখন কাস্টমারকে খোঁজে দিতে নিশ্চয় কষ্টকর হবে।

আর যদি সাজিয়ে রেখে দেন। যেমন– ”গ্যালারীতে দেশি আপেল, ”গ্যালারীতে বিদেশি আপেল, “গ্যালারীতে নষ্ট বা কম দামের আপেল

তাহলে সহজেই তা খোঁজে কাস্টমারকে দিতে সহজ হবে তাই না।

তেমনি কোন কনটেন্টকে যদি এস বা সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন করা হয়ে থাকে।

তখন গুগল সহজে তা ইউজারের নিকট পোঁছে দিতে সক্ষম হয়ে থাকে।

তাই কোন সাইট বা কনটেন্টকে এস করা অতি প্রয়োজন।

একটি কনটেন্টকে কিভাবে এস ফ্রেন্ডলি করবেন তা নিচে দেওয়া হল

অবশ্যই পড়ুন :

 

. কিওয়ার্ড রিসার্চ করা :

কিওয়াড রিসার্চ হচ্ছে কোন কিওয়ার্ডের সার্চ ভলিয়ম কত, মাসে কত বার সার্চ করা হয়ে থাকে।

তার একটি তথ্য উপাত্য সম্পর্কে ধারনা লাভ করা।

আপনি যদি গুগল থেকে অর্গানিক ভিজিটর পেতে চান তাহলে কিওয়ার্ড রিসার্চ করা প্রয়োজন।

আর আপনি এটা ফ্রিতে গুগল কিওয়ার্ড প্লানারের সাহায্যে করতে পারেন।

আপনি যে টপিকের উপর কনটেন্ট রাইটিং করবেন।

সে কিওয়ার্ড সম্পর্কে রিসার্চ করে জেনে নেওয়া প্রয়োজন। তা নাহলে বোকামী হবে, আপনি অন্ধকারের মধ্যে পড়ে থাকবেন।

আপনাকে জানতে হবে তার সার্চ ভলিয়ম কত, কম্পিশন কত।

তার সার্চ ভলিয়ম ভাল থাকতে হবে, কম্পিটিশন কম থাকতে হবে।

তাহলে, গুগলে রেংক করাতে সহজ হবে এবং কাংখিত ভিজিটর পেয়ে থাকবেন।

মনে রাখবেন ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটের প্রান।

তাই ভিজিটর পেতে হলে সঠিক কিওয়ার্ড নির্বাচন করে আর্টিকেল লিখতে হবে।

 

. এস ফ্রেন্ডলি টাইটেল :

আপনার কনটেন্টের টাইটেল হতে হবে ছোট এবং আকর্ষনীয়। যা আপনার ভিজিটরকে আকর্ষন করবে।

তার জন্য আপনাকে কি করতে হবে? আপনার আর্টিকেলের টাইটেলকে এস ফ্রেন্ডলি করতে হবে।

কিভাবে করবেন ? আপনার কনটেন্টের টাইটেল ৫৫ থেকে ৬০ ক্যারেক্টারের মধ্যে হতে হবে।

টাইটেলে মেইন কিওয়ার্ড থাকতে হবে। অর্থাৎ ফোকাস কিওয়ার্ড থাকতে হবে।

 

. কিওয়ার্ড ডেনসিটি :

আপনার কনটেন্টে কিওয়ার্ড ডেনসিটি ঠিক রাখতে হবে।

কিওয়ার্ড বেশি হলে প্লান্টি খাওয়ার ভয় থাকে, আবার কিওয়ার্ড কম থাকলে রেংক হারানোর ভয় থাকে।

প্রশ্ন হচ্ছে কিওয়ার্ড ডেনসিটি কি ?

কিওয়ার্ড ডেনসিটি হচ্ছে আপনার কনটেন্টের মধ্যে কতবার ফোকাস কিওয়ার্ড ব্যবহার করা রয়েছে।

ফোকাস কিওয়ার্ড বেশি হওয়া যাবে না এবং কম হওয়াও যাবে না।

অনেকের মতে % ফোকাস কিওয়ার্ড রাখা যাবে।

আমার মতে ১০০০ কিওয়ার্ডের জন্য / বার ফোকাস কিওয়ার্ড রাখা উচিত।

 

. হেডার টেগ বা সাব হেডিং :

হেডার টেগ বা সাব হেডিং হচ্ছে আপনার কনটেন্টের মধ্যে বিভিন্ন প্যারার উপর হেডিং দিতে হয়।

আর এই হেডিং টেগ গুলো ছয় ধরনের হয়ে থাকে। যেমন, H1, H2, H3, H4, H5, H6.

একটি কনটেন্টে একবারই হেডিং ওয়ান টেগ থাকে। তা হচ্ছে মেইন টাইটেল।

আর অন্য গুলোতে বিভিন্ন টেগ দেওয়া যেতে পারে। টেগ হতে হবে প্রয়োজন অনুযায়ী।

অন্যথায়, দেওয়া ঠিক হবে না। তাই সঠিক ভাবে হেডিং টেগ প্রয়োগ করতে হবে।

 

. ছোট ছোট প্যারা :

আপনার কনটেন্টের মধ্যে প্রয়োজন ভেদে বিভিন্ন প্যারা থাকতে হবে।

আর প্যারা গুলো ছোট ছোট হতে হবে। যাতে পাঠকের কাছে সহজে বোধগম্য হয়।

আপনার কনটেন্টকে সহজ , সরল, প্রানবন্ত ভাষায় উপস্থাপন করতে হবে।

যা ভিজিটরকে আকর্ষন করবে। তবেই ভিজিটররা বার বার ফিরে আসবে।

 

. ইনবাউন্ট লিংক :

ইনবাউন্ট লিংক হচ্ছে আপনার কন্টেন্টের মধ্যে আপনার নিজেরে লেখা অন্য কোনে কন্টেন্টের লিংক যুক্ত করে দেওয়া।

যাতে এই কনটেন্ট থেকে ভিজিটর আপনার আরেক কনটেন্টে যায়।

যাতে করে ভিজিটরকে আপনার সাইটে বেশি সময় ধরে রাখতে পারেন।

যা গুগলের কাছে পছন্দনীয়। উদাহরন হিসাবে আমি নিচে একটি ইনবাউন্ট লিংক যুক্ত করে দিলাম।

ইনবাউন্ট লিংককে ইন্টারনাল লিংকও বলা হয়।

 

. আউটবাউন্ট লিংক :

আপনার নিজের ওয়েবসাইটের কনটেন্টের মধ্যে অন্য কোন ওয়েবসাইটের লিংক যুক্ত করে দেওয়াকে আউটবাউন্ট লিংক বলা হয়ে থাকে।

এতে আপনার ওয়েবসাইটের সাথে অন্য কোন ওয়েবসাইটের জুস পাস হবে।

অর্থাৎ, আপনার ওয়েবসাইটের সাথে অন্য ওযেবসাইটের ভিজিটরদের সংযোগ স্থাপন করা হয়।

এতে উভয়েরই ভিজিটর বৃদ্ধি হতে পারে।

ফেসবুক

উদাহরন হিসাবে এখানে একটি আউটবাউন্ট লিংক দিলাম।

এই লিংকের উপর ক্লিক করলে অন্য কোন ওয়েবসাইটে নিয়ে যাবে। আউটবাউন্ট লিংকে এক্সটারনাল লিংকও বলা হয়।

 

. ইমেজ বা ছবি অপটিমাইজ করা :

যে কোন ইমেজ বা ছবি ভিজিটরদের আকর্ষন করে থাকে।

এই ইমেজের মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটে অনেক ভিজিটর আসতে পারে।

তাই, ইমেজকে সঠিক ভবে অপটিমাইজ করা প্রয়োজন।

ইমেজ অপটিমাইজ করতে হলে ইমেজ এর টাইটেল দিতে হবে এবং ইমেজে অলটার ট্যাগ দিতে হবে।

প্রয়োজনে ইমেজের ডিসক্রেপশন লেখতে হবে।

তাহলে, গুগলের ইমেজ গ্যালারীতে আপনার ছবি দেখা যাবে।

এছাড়া ব্রাউজারে সার্চ রেজাল্টেও আপনার ছবি দেখা যাওয়ার সম্ভবনা থাকে।

 

. ম্যাটা টেগ :

Meta tag স্থাপন করতে হবে। ম্যাটা টেগ হচ্ছে আপনার কন্টেন্টের একটি সামারি।

এই ম্যাটা টেগ গুগলে সার্চ করলে টাইটেলের নিচেই দেখতে পাবেন।

Meta tag ডিসক্রেপশন লেনথ ১৫০ ক্যারেক্টারের মধ্যে হওয়া উচিত।

ম্যাটা টেগে ফোকাস কিওয়ার্ড থাকতে হবে।

ম্যাটা টেগ বা ম্যাটা ডিসক্রেপশন আপনার কনন্টের পরিচিতি তুলে ধরতে সাহায্য করে থাকে।

 

১০. পারমালিংক সেট করা :

পারমালিংক হচ্ছে আপনার কন্টেন্টের ইউ আর এল(URL) আপনার কন্টেন্টের ইউ আর এল সংক্ষিপ্ত হওয়া উচিত।

তাই আপনার ইউ আর এল কে কাস্টমাইজ করতে হবে।

আপনার কন্টেন্টের ইউ আর এলের মধ্যে যেন আপনার কনন্টের ফোকাস কিওয়ার্ড থাকে।

সে দিকে অবশ্যই দৃষ্টি দিতে হবে। ইউ আর এলে তারিখ না থাকায় ভাল।

তাই সঠিক পারমালিংক কাস্টমাইজ করা উচিত।

 

১১. প্রথম প্যারা শেষ প্যারায় ফোকাস কিওয়ার্ড রাখা :

ফোকাস কিওয়ার্ডকে হাইলাইট করতে প্রথম প্যারা শেষ প্যারায় ফোসাক কিওয়ার্ড রাখা প্রয়োজন।

ফোকাস কিওয়ার্ড আপনার কন্টেন্টের গুরুত্বপূর্ন বিষয়।

এই কিওয়ার্ড দিয়ে গুগলে সার্চ করলে যেন আপনার কনটেন্ট সবার উপরে আসে সে জন্য কিওয়ার্ডকে হাইলাইট করা প্রয়োজন।

তাই এই কন্টেন্টের প্রথম প্যারা শেষ প্যারাতে ফোকাস কিওয়ার্ড রাখা হয়েছে।

 

১২. কনটেন্ট লেনথ :

কনটেন্ট লেনথ একটি কনটেন্টের জন্য গুরুত্বপূর্ন বিষয়।

একটি কনটেন্টের লেনথ কতটি শব্দের হতে হবে। তা নিয়ে সবারই মনে প্রশ্ন রয়েছে।

কনটেন্ট লেনথ গুগলের মতে ৩০০ শব্দের হলেই হবে।

তবে আমার মতে একটি কনটেন্টে লেনথ নুন্যতম ৫০০ শব্দের হওয়া উচিত। উপরে যত হয় ততো ভাল।

মোট কথা, একটি কন্টেন্টকে ফুটিয়ে তুলতে বা সঠিক ভাবে উপস্থাপন করতে যত শব্দের প্রয়োজন সে অনুযায়ী তত শব্দ লেখা উচিত।

পরিশেষে কথা হচ্ছে কনটেন্ট রাইটিং (Content Writing) একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগসাইটের জন্য অপরিহার্য্য।

কনটেন্ট ছাড়া একটি ওয়েবসাইট প্রানহীন। তাই বর্তমানে একজন কন্টেন্ট রাইটারের কদর অনেক বেশি।

এই কনটেন্ট লেখাকে আপনি পেশা হিসাবে সাদরে গ্রহন করতে পারেন।

যা থেকে প্রচুর পরিমানে ইনকাম করা সম্ভব।

ফাইবার, আপওয়ার্ক, ফ্রিলান্সার, গুরু সহ বিভিন্ন সাইটে freelance content writer এর কাজ পাওয়া যায়।

আপনিও চেষ্টা করলে এই কাজ করে ইনকাম করতে পারেন।

কনটেন্ট রাইটিং করতে হলে আপনাকে ভাষা জ্ঞান সম্পর্কে যথেস্ট ধারনা থাকতে হবে।

সর্বপরি কথা হচ্ছে কনটেন্টকে গুগলে রেংক করাতে হলে এস ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট রাইটিং করতে হবে।

 

পরামর্শ : আপনি চাইলে বাংলা কনটেন্ট রাইটিং কাজ শিখে আয় করতে পারেন।

বর্তমানে Content Writing এর কাজের চাহিদা প্রচুর।

সর্তকতা : কনটেন্ট রাইটিং কাজ শিখে অনলাইনে ইনকাম করতে হলে প্রথমে আপনাকে দক্ষ হতে হবে। তা নাহলে সফলতা অর্জন করতে পারবেন না।

 

উপসংহারে,

পরিশেষে বলা যায় যে, কনটেন্ট রাইটিং কি? এস ই ও ফ্রেন্ডলি Content writing করার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন।

সর্বোপরি, উপরে উল্লেখিত বিষয় গুলো জেনে কাজ করলে ইনশাআল্লাহ আপনি Content writing শিখে ইনকাম করতে পারবেন।

এই পোস্টের বিষয়ে আপনার কিছু জানার থাকলে বা কোন প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

পোস্টটির মাধ্যমে উপকৃত হয়ে থাকলে অবশ্যই লাইক দিয়ে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন।

সবসময় সুস্থ, সুন্দর নিরাপদে ভাল থাকবেন।

আমাদের আরও অন্যান্য পোস্টগুলো ভাল লাগলে অবশ্যই পড়তে পারেন। পরবতীর্তে আমাদের ওয়েবসাইটে আসার অনুরোধ করছি।

এই ধরণের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে এবং টুইটারে ফলো করে রাখতে পারেন।

ধন্যবাদ

 

Leave a Comment