Fiverr gig image তৈরির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। Fiverr gig image design

0Shares

 

Fiverr gig image তৈরির গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা ক্রেতারা আপনার গিগ এ ক্লিক করতে এবং আপনার পরিষেবাটি অর্ডার করতে চায় কিনা তা নির্ধারণ করে।

 

Fiverr gig image তৈরির গুরুত্বপূর্ণ বিষয় :

মূলত Fiverr gig image design হল –

প্রথমেই আসি আপনার বায়ারকে আপনার কাজের প্রতি আগ্রহ নিয়ে আসার প্রথম ধাপে।

Gig image যদি ভাল না হয়। তাহলে বায়ার আপনার গিগে ক্লিক করতে চাইবে না।

আর ক্লিক না করলে আপনার সার্ভিসও গ্রহণ করবে না।

আপনি কতটা প্রফেশনাল তা আপনার gig image এ ফুটে উঠবে।

গিগ ইমেজ হতে হবে খুবই আকর্ষণীয় ও প্রফেশনাল। খুব বেশি লেখা, ছবি দিয়ে বাংলা ছবির পোস্টার বানিয়ে ফেলবেন না।

আপনি যেই বিষয়ের উপর গিগ খুলতে চাচ্ছেন, সেই বিষয়ের উপর প্রথম পেজ এর ৩৫ থেকে ৪০ টা গিগের ইমেজ থেকে পাঁচটি গিগ ইমেজ বাছাই করে সেগুলোর মত কম্বাইন করে আপনার fiverr gig image design তৈরি করবেন।

তবে মোটেও,

কোনো গিগ ইমেজ হুবুহু কপি করা যাবে না। নিজের ক্রিয়েটিভিটি কাজে লাগাতে হবে।

সর্বপরি, এমন গিগ ইমেজ বানাতে হবে যাতে, ৫০ টার মধ্যে বায়ারের নজর আপনারটাতেই পরে।

তাই গিগ ইমেজ তৈরিতে খুব গুরুত্ব দিতে হবে।

 

গিগ ইমেজ তৈরির ক্ষেত্রে আপনাকে যেসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মেনে চলতে হবে :

 

১. ইমেজ কোয়ালিটি :

গিগের জন্য যেসব ইমেজ পছন্দ বা তৈরি করবেন সেটি অবশ্যই গুনগতমান ভাল হতে হবে।

অর্থাৎ, কোন রকম লো কোয়ালিটি ইমেজ ব্যাবহার করা যাবে না।

অনেককেই দেখা যায় গিগের ইমেজ কোয়ালিটির দিকে বিশেষ নজর রাখে না বা ইমেজ ফেটে যায়।

এতে করে বায়ার আপনার সার্ভিসের ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করতে পারে।

তাই ইমেজ তৈরির ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ইমেজের ভালো কোয়ালিটি বজায় রাখুন।

অর্থাৎ হাই কোয়ালিটি ইমেজ ব্যাবহার করবেন।

 

২. কপিরাইট ইমেজ :

কপিরাইট ইমেজ অর্থাৎ Stock Image ব্যবহার করা যাবে না।

ফাইভার Terms & Conditions  এ কপিরাইট এর ব্যাপারটি খুব কঠোরভাবে বলা হয়েছে।

যে কোন প্রকার কপিরাইট ইমেজ ব্যবহার  করা যাবে না।

কপিরাইট ইমেজ ব্যবহারের ফলে আপনার গিগ রেংক তো করবেই না, বরং একাউন্ট ব্যান হওয়ার সম্ভাবনাও থাকবে।

তাই যতটা সম্ভব কপিরাইট ফ্রি ইমেজ ব্যবহার করুন।

 

৩. ক্লিকবাইট :

ক্লিকবাইট ব্যাবহার করা যাবে না। অর্থাৎ গিগ ইমেজে ক্লিক লেখা যাবে না।

ক্লিক লেখা ব্যবহারের ফলে আপনার গিগের রেংক করবে না।

তাই গিগ ইমেজে ক্লিক লেখা থেকে বিরত থাকুন।

 

৪. ব্যাজ ব্যাবহার :

সেলারদের সেল অনুযায়ী ফাইবার আপনাকে ব্যাজ দেবে।

কিন্তু কখনও লেভেল এর সেই ব্যাজ ইমেজ ব্যবহার করা যাবে না।

আপনি ফাইভারে কেমন সেল করছেন বা আপনি কোন পজিশনে আছেন সেটি বায়ার আপনার প্রফাইলে প্রবেশ করলেই বুঝতে পারবে।

 

৫. টেক্সট :

Gig image এ কখনও মাত্রাতিরিক্ত টেক্সট ব্যবহার করবেন না।

আবার, অনেকেই আছেন অনেক গুলো টেক্সট ব্যবহার করেন গিগ ইমেজে। এটি পরিহার করুন।

গিগ কে যতটা সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা যায় সেটাই করুন।

 

৬. গিগ ইমেজের ঘনত্ব :

গিগ ইমেজে বেশি ইমেজ ব্যাবহার করবেন না। এতে করে গিগ ইমেজে কোয়ালিটি কমে যায়।

এটি পরিহার করুন। শুধুমাত্র একটি ইমেজ ব্যাবহার করবেন এবং কিছু লেখা ‍দিবেন।

 

৭. ইমেজ সাইজ :

Gig image size  সঠিক ভাবে দিন। ছোট, বাঁকানো ইমেজ ব্যাবহার করবেন না।

Fiverr gig image সাইজ আগে ছিল 550*370 px. কিন্তু নতুন আসা আপডেটে গিগ ইমেজ সাইজ পরিবর্তন করা হয়েছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী ফাইবার গিগ ইমেজ সাইজ হল-

  • ডিফল্ট-  1280 x 769 px
  • মিনিমাম- 712 x 430 px
  • ম্যাক্সিমাম-  4000 x 2416 px

কিন্তু  690*426 px সাইজের ইমেজ দেওয়া ভাল।

সুতরাং, আগের মতো আমরা এখন আর 550 x 370 px সাইজের গিগ ইমেজ ব্যবহার করতে পারব না।

 

৮. ইমেজ ব্যাবহার করার নিয়ম :

এক ইমেজ একধিক গিগে ব্যবহার করবেন না। একটি ইমেজ একটি গিগেই ব্যাবহার করবেন।

গিগ ইমেজ ব্যাবহার করার সময় খেয়াল করবেন গিগের সার্ভিস অনুযায়ী ইমেজ ব্যাবহার করা।

ফাইভারে বেস্ট সেলিং গিগকে হুবুহু কপি করে ভূলেও ব্যবহার করবেন না।

এটা খুব বাজে একটা কাজ। কারো গিগ কপি করলে আপনার রেংক আউট হবে।

সুতরাং, কপি থেকে বিরত থাকুন। সব সময় ইউনিক গিগ বানানোর চেষ্টা করুন।

অতএব, উপরের কাজ গুলো সঠিক ভাবে করার পর আপনার যে কাজ টি করতে হবে। সেটি হল ইমেজ এসইও।

ইমেজ এসইও করলে আপনার গিগটি বায়ার ফ্রেন্ডলি হবে মানে কিওর্য়াড দিয়ে আপনার গিগ টি খুজে পেতে সুবিধা হবে।

Fiverr gig image তৈরির গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আর্টিকেলটি পড়ে যদি ভালো লাগে অবশ্যই জানাবেন আর ইমেজ এসইও নিয়ে পরবর্তীতে একটা আর্টিকেলটি লিখব।

 

পরামর্শ : গিগের জন্য যেসব ইমেজ তৈরি করবেন সেটি অবশ্যই গুনগত মান ভাল হতে হবে।

অর্থাৎ কোন রকম লো কোয়ালিটি Gig image ব্যাবহার করা যাবে না।

তাই ইমেজ তৈরির ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ইমেজের ভাল কোয়ালিটি বজায় রাখুন। অর্থাৎ হাই কোয়ালিটি ইমেজ ব্যবহার করবেন।

সতর্কতা : Gig image যদি ভাল না হয়। তাহলে বায়ার আপনার গিগে ক্লিক করতে চাইবে না।

 

মন্তব্য :

পরিশেষে বলা যায় যে, Fiverr gig image তৈরির গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে এখানে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

সর্বোপরি, উপরে উল্লেখিত বিষয় গুলো মেনে কাজ করলে ইনশাআল্লাহ আপনি সফল ভাবে গিগ ইমেজ তৈরি করতে পারবেন।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কি? Social media marketing এর সুবিধা কি? আমাদের ওয়েবসাইট থেকে পড়ে নিন। তাছাড়া আমার লেখা আউটসোর্সিং শেখার উপায় এবং যাবতীয় সকল তথ্য  পোস্টটি আপনার জন্য খুবই উপকারী হবে।

আমরা এই পোস্টে জানলাম, Fiverr gig image তৈরির গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে।

এই পোস্টের বিষয়ে আপনার কিছু জানার থাকলে বা কোন প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

পোস্টটির মাধ্যমে উপকৃত হয়ে থাকলে অবশ্যই লাইক দিয়ে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন।

সবসময় সুস্থ, সুন্দর ও নিরাপদে ভাল থাকবেন। আমাদের আরও অন্যান্য পোস্টগুলো ভাল লাগলে অবশ্যই পড়তে পারেন।

এই ধরণের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে এবং টুইটারে ফলো করে রাখতে পারেন।

ধন্যবাদ

 

Leave a Comment