ফ্রিল্যান্সারদের স্বাস্থ্য ভাল রাখার উপায় – Health awareness

0Shares

 

আপনাদের সাথে আলোচনা করব ফ্রিল্যান্সারদের স্বাস্থ্য ভাল রাখার উপায় নিয়ে।

যেগুলো মেনে চললে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনার কাজ করা অনেকটা সহজ আর সুন্দর হতে পারে। Health awareness

 

ফ্রিল্যান্সারদের স্বাস্থ্য ভাল রাখার উপায় :

রাত জাগা ফ্রিল্যান্সারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি –

ইদানীং আমরা অনেক ফ্রিল্যান্সাররা শারীরিক অবনতি নিয়ে অনেকেই ডক্টরের কাছে যাচ্ছি।

আবার অনেককে ডক্টর দেখে জিজ্ঞেস করেই ফেলে ড্রাগ নেন নাকি ফ্রিল্যান্স করেন?

অনেকেই আবার শরীরের প্রতি লক্ষ্য না রেখেই  সাধারণ ওষুধ খেয়ে দিন পার করছি আবার কেউ কোনো ওষুধ খাই না।

নিয়মিত রাত জাগার ভয়বহতা আমরা সকলেই জানি, জটিল সব রোগের বীজ হলো রাত জাগা, কিন্তু জীবিকার টানে জাগতে হচ্ছে।

আবার একটা কথাও আছে রাতজাগা ছাড়া নাকি সফলতা আসেনা।

যাইহোক সমস্যা যেমন আছে সমাধানও আছে। আমি আমার সকল ফ্রিল্যান্সার ভাই বোনদের বলব এখনো সময় আছে সাস্থসচেতন হয়ে যান।

আমার অনেক পরিচিত ফ্রিল্যান্সার আছে যারা এখন অসুস্থতায় জর্জরিত হয়ে বেকার অথবা সামান্য বেতনে চাকরি করছে। অনেককে আমরা হারিয়েছি অল্প বয়েসে।

 

গ্যাস্ট্রিক সমস্যা :

গ্যাস্ট্রিক সমস্যা হল ফ্রিল্যান্সারদের জাতীয় রোগ, গ্যাস্ট্রিক হলে কোনো ওষুধ খাবেন না, খালি পেটে গরম পানি লেবু আর ১ চামুচ ভিনেগার খাবেন, ৩০ মিনিট পরে কিছু খাবেন ইনশাআল্লাহ ৭ দিন পরে আপনার গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়া লাগবে না।

মনে রাখবেন, গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ আপনার হজম শক্তি নষ্ট করে একটা সময় আপনি ওষুধ ছাড়া অচল হয়ে যাবেন।

ভাত আমরা সকলেই খাই কিন্তু ভাতের সাথে যদি ( কাঠ বাদাম , চীনা বাদাম একসাথে গুঁড়া, কাজু, পেস্তা , আখরোট ) ৩/৪ চামুচ নেই তবে কিন্তু পাবেন পৃথিবীর সেরা পুষ্টিকর খাবার।

এ গুলো যে কোন শপিং মলে পাওয়া যায়।

খাবার শেষে ২/৩ তা খুরমা খেজুর, ১০/১৫ টা কালো কিসমিস খান।

খাবার পরে ঠান্ডা পানি পান পরিহার করে, কুসুম গরম পানি পান করুন।

আর বাসি খাবার একদম খাবেন না। আবোল তাবোল খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

কাজে বসার আগে ব্ল্যাক কফি খান। হালকা ব্যায়াম করেন নিয়মিত, শরীর মন ভালো থাকবে।

শারীরিক কোনো সমস্যা হলেই ওষুধ খাবেন না , পুষ্টিকর খাবার দিয়ে জীবন যাপন করে রোগ প্রতিরোধ করা যায়।

ধর্মীয় কাজে নিজের সময়কে একটু দিয়ে দেন।

ধুমপান, ড্রাগ সাময়িক প্রশান্তি দিলেও জীবনে হাহাকার নামিয়ে আনে।

অভ্যাস করতে সময় লাগবে, কিন্তু আমার বিশ্বাস ফ্রিল্যান্সারদের কাছে এটা তেমন খারাপ লাগবে না।

” মনে রাখবেন ফ্রিল্যান্সারদের জীবনমান সাধারণ মানুষের মতো নয়, রাত জাগা , মস্তিষ্কের ঘাম , আর আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকার মত লড়াই সবাই করে না ”

 

চোখের সুরক্ষার জন্য যা করণীয় :

ফ্রিল্যান্সারদের সর্বদা কমপিউটার বা লেপটপের স্কিনের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়।

এর ফলে অনেকের চোখের সমস্যা দেখা দেয়। এ সমস্যা সমাধানের জন্য পুষ্ঠিকর খাবার খাওয়া উচিত।

এ ছাড়া স্বাস্থ্য রক্ষার উপায় হিসেবে চশমা ব্যাবহার করা যেতে পারে।

 

ফ্রিলান্সাররা শরীর স্বাস্থ্য কীভাবে ঠিক রাখবেন ?

১. সর্বদা খাওয়ার টাইম ঠিক রাখবেন এবং পুষ্ঠিকর খাবার খাবেন। পুষ্টিকর খাবার দিয়ে জীবন যাপন করে রোগ প্রতিরোধ করা যায়।

২. নিয়মিত ব্যায়াম করবেন অল্প সময় হলেও। শরীর ও মন ভালো থাকবে।

৩. নিয়মিত প্রতিদিন দুধ আর ডিম খাওয়া। এ গুলোতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন আছে।

৪. কাজের ফাঁকে ফাঁকে একটু সময় বাহির থেকে ঘুরে আসবেন।

৫. প্রতিদিন নিয়মিত গোসল করা  গরম কালে ও শীত কালে।

৬. প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়া।

৭. সময় মত ঘুমানো, যতটুকু একজন সুস্থ মানুষের ঘুম প্রয়োজন। কমপক্ষে দিনে সাত ঘন্টা করে ঘুমানো উচিত।

৮. কাজ করার সময় যখন ক্লান্ত হয়ে যাই, তখন উঠে কিছু সময় সবুজ গাছ বা ঘাসের ‍দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখের জরতা কমে যায় এবং শরীরে কাজ করার শক্তি অনুভব হয়।

পরামর্শ : উপরের স্বাস্থ্য ভাল রাখার উপায় বা স্বাস্থ্য সচেতনতা টিপস প্রয়োগ করে ভাল ফল না পেলে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।

 

মন্তব্য:

পরিশেষে বলা যায় যে, আশা করি উপরের ইনফরমেশন থেকে ফ্রিল্যান্সারদের স্বাস্থ্য ভাল রাখার উপায়। Health awareness এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন।

সর্বোপরি উপরে উল্লেখিত বিষয় গুলো মেনে কাজ করলে ইনশাআল্লাহ আপনি সুস্থ ও সফল ভাবে কাজ করতে পারবেন।

এছাড়া আপনি যদি অসুস্থ হয়ে যান তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করুন।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কি? Affiliate Marketing করে ইনকাম করার উপায় আমাদের ওয়েবসাইট থেকে পড়ে নিন। তাছাড়া আমার লেখা ইউটিউব থেকে ইনকাম করার উপায় পোস্টটি আপনার জন্য খুবই উপকারী হবে।

আমরা এই পোস্টে জানলাম, ফ্রিল্যান্সারদের স্বাস্থ্য ভাল রাখার উপায়। Health awareness সম্পর্কে।

এই পোস্টের বিষয়ে আপনার কিছু জানার থাকলে বা কোন প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

পোস্টটির মাধ্যমে আপনি উপকৃত হয়ে থাকলে অবশ্যই লাইক দিয়ে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন।

সবসময় সুস্থ, সুন্দর ও নিরাপদে ভাল থাকবেন। আমাদের আরও অন্যান্য পোস্টগুলো ভাল লাগলে অবশ্যই পড়তে পারেন।

এই ধরণের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে এবং টুইটারে ফলো করে রাখতে পারেন।

ধন্যবাদ

 

Leave a Comment