মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করার সেরা সহজ উপায় জেনে নিন- নিউ ফ্রিল্যান্সিং

0Shares

 

অনেকেই আছেন একদম নতুন যারা কিনা অনলাইন থেকে ইনকাম করার অনেক আগ্রহ। বর্তমানে মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করা যায়। আপনি মোবাইল দিয়ে ইনকাম করতে পারবেন।

 

মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করার সহজ উপায় :

মোবাইল দিয়ে টাকা আয় (mobile diye taka income) করার উপায় নিয়ে বিস্তারিত আমি এই পোষ্ট এর মাধ্যমে সম্পূর্ণ গাইডলাইন দিব।

এখানে খুব সহজ ভাবে আপনাকে কিছু ধারনা দেওয়া হবে যা অনুসরণ করলে আপনি মোবাইল দিয়ে করে ইনকাম করতে পারবেন।

একটি কথা না বললেই না, কোন কিছুই কষ্ট ছাড়া আর ইচ্ছা না থাকলে জীবনে কিছুই পাওয়া যায়না।

আর, তার জন্যই আপনাকেও মোবাইল দিয়ে অনলাইন থেকে টাকা আয় করতে হলে পরিশ্রম করতেই হবে।

অনেকেই আছেন একদম নতুন যারা কিনা অনলাইন থেকে ইনকাম করার অনেক আগ্রহ কিন্তু সঠিক গাইডলাইনের অভাবে আপনি কিভাবে কাজ শুরু করবেন বোঝতে পারছেন না ।

তাদের জন্য আমরা এই ব্লগে ধারাবাহিক ভাবে সকল গাইডলাইন দিয়ে সাহায্য  করব।

এই আধনিক যুগে অনেকেই ইন্টারনেটকে জীবনের পেশা হিসাবে বেঁচে নিয়েছে ।

কারণ অনলাইন থেকে আজ কাল অনেক কিছুই করা যায় যা অনেকেই জানে না।

আমাদের অনেকের ইচ্ছা অনালাইন থেকে আয় করব কিন্ত অনেকেই  ভাবে আমারতো ল্যাপটপ বা কমপিউটার নেই তাহলে কিভাবে আয় করব।

অনেকের মাঝে এরকম প্রশ্ন ঘুরপাক খায়। কিভাবে মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করা যায়?

আসলেই কি অনলাইন থেকে আয় করা সম্ভব মোবাইল দিয়ে?

কত টাকা আয় করা যাবে?

আমি কি সকল কাজ মোবাইল দিয়ে করতে পারব?

যাদের মাথায় এই রকম প্রশ্ন আছে তাদের জন্য আমি এই পোস্ট থেকে সকল উত্তর এবং সহজ পথ বলে দিব।

যে কিভাবে আপনি শুধু মোবাইল দিয়ে আয় করবেন।

 

mobile diye taka income করার উপায় :

mobile diye taka income করার কয়েকটি উপায় নিয়ে আলোচনা করব যার উপর কাজ করে একটি ভাল পরিমাণের টাকা আয় করতেছে।

আমি আপনাদের ইনকাম করার উপায় গুলো দেখিয়ে দিব, আপনি কত টাকা ইনকাম করবেন সেটা আপনার ইচ্ছা আর কঠোর পরিশ্রমের উপর নির্ভর করবে।

আপনি জেনে রাখুন,

আমাদের দেওয়া গাইডলাইন গুলি অনুসরণ করে লোকেরা ১৫০০- ৫০০০ হাজার টাকা প্রতি মাসে আয় করছেন।

আপনার সময়কে ফেসবুক চ্যাটিং ও গেমস খেলে শেষ না করে কাজ শিখে স্কিল ডেভেলপ করে আয় করুন।

তাহলে চলুন আমরা জেনে নেই কিভাবে মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করা যায়।

 

ওয়েবসাইট দিয়ে ব্লগিং করে আয় :

হয়তো শুনে অবাক হচ্ছেন যে, কিভাবে মোবাইল দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করে আবার সেখান থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

মোবাইল দিয়ে ব্লগিং করে আয় এতে করে অবাক হওয়ার কিছুই নেই আপনি যদি ওয়েবসাইট অথবা ব্লগ সম্পর্কে সামান্য আইডিয়া থাকে।

তাহলে, আপনি মোবাইল থেকে নিজের জন্য একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট বানাতে পারেন, হতে পারে এটি একটি ব্লগারের ফ্রি ওয়েবসাইট অথবা ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট।

 

ব্লগার থেকে ফ্রি ওয়েবসাইট :

আপনি যদি এই ব্লগ সাইট সম্পর্কে নতুন হয়ে থাকেন এবং অভিজ্ঞতা কম থাকে।

তাহলে, আমি আপনাকে সাজেস্ট করব যে গুগলের ফ্রি সার্ভিস ব্লগস্পট (Blogger.com)থেকে একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ তৈরি করে নিতে পারেন খুব সহজেই।

ব্লগ তৈরি করার পর আপনাকে একটি টপ লেভেল ডোমেইন ক্রয় করতে হবে।

বাংলাদেশের এখন অনেক কোম্পানি রয়েছে যারা বিকাশ, রকেট, নগদ পেমেন্ট এর মাধ্যমে আসছে ৬০০-৮৫০ টাকার ভিতরে একটি টপ লেভেল ডোমেইন প্রদান করে।

টপ লেভেল ডোমেইন বলতে যেগুলোকে আমরা বুঝি .Com,  .Net,  .Info, .Org ইত্যাদি।

আরও অনেক ধরনের ডোমেইন নেমের এক্সটেনশন রয়েছে যেগুলো নিয়ে আমরা পরবর্তীতে আলোচনা করব।

আপনি গুগল ব্লগার থেকে ফ্রি একটি ব্লগ সাইট বানিয়ে তাতে আর্টিকেল পাবলিশ করে আপনি খুব সহজেই Google Adsense,  Affiliate marketing  এবং Sponsor এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই একটি ভাল পরিমাণের টাকা ইনকাম করতে  পারবেন।

 

ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করা :

আপনি যদি ওয়েবসাইট সম্পর্কে একটু মোটামুটি ভাল বোঝেন তাহলে আমি আপনাকে সাজেস্ট করব যে ওয়ার্ডপ্রেস থেকে ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনে ওয়েবসাইট তৈরি করতে।

এখন এই বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে অনেক প্রোভাইডার রয়েছে যাদের কাছ থেকে বিকাশ, রকেট এবং নগদ এর মাধ্যমে হোস্টিং এবং ডোমেইন খুব সহজেই ক্রয় করতে পারবেন।

কেননা ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট অনেক ইজি ভাবে আপনি সকল কিছু করতে পারবেন।

এসইও রিলেটেড সকল কাজ আপনি খুব সহজেই বিভিন্ন ধরনের প্লাগিন এবং অনেক সিস্টেমের দ্বারা ওয়ার্ডপ্রেসকে আপনি খুব সহজেই গুগলে জায়গা করে নিতে পারবেন।

ওয়েবসাইট তৈরী করার পর আপনাকে অবশ্যই ইউনিক কন্টেন্ট পাবলিশ করতে হবে।

তারপর আপনি যখন মোটামুটি কিছু ভিজিটর পেয়ে যাবেন।

তখন, আপনি Google Adsense এপ্লাই করে Google Adsense Approve  হওয়ার পর Google Ads আপনার ওয়েবসাইটে বসিয়ে আয় করতে পারবেন।

Adsense এর পাশাপাশি আপনি এ্যাফিলিয়েট এবং স্পন্সর এর মাধ্যমে খুব সহজেই আয় করতে পারবেন।

 

ইউটিউব থেকে আয় :

বর্তমানে সারা বিশ্বে সোশ্যাল শেয়ারিং এর ভিতরে ইউটিউব অনেক বড় একটি ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম যেখানে এমন কিছু নেই যে আপনি খুঁজে পাবেন না।

ইউটিউব থেকে আপনি আপনার পড়াশোনা, স্বাস্থ্য, ব্যবসা এবং পারিবারিক সম্পর্কে সকল তথ্য খুব সহজে ইউটিউব থেকে পেয়ে যাবেন ।

শুধু তাই নয় আপনি বিনোদন মূলক অনেক কিছু পেয়ে যাবেন ইউটিউব থেকে।

আপনি কি মনে করেন যে ইউটিউবে এগুলো আপনা আপনিই চলে এসেছে অবশ্যই নয়।

এখানে আমার আর আপনার মত লোকেরাই ভিডিও আপলোড করে এবং ইউটিউব থেকে আয় করে।

ইউটিউবের একটি নিয়ম চালু আছে তা হল ইউটিউবে আপনাকে ১০০০ সাবস্ক্রাইবার এবং ৪০০০ ঘন্টা ওয়াচ টাইম পূরণ করতে হবে।

আপনার এই নিয়ম পূরণ হয়ে গেলে আপনি Google Adsense এর দ্বারা আপনার ভিডিওতে মনিটাইজেশন চালু করে ইনকাম করতে পারবেন।

 

কিভাবে ইউটিউব থেকে টাকা আয় করা যায় :

এটাই সত্যি ইউটিউব থেকে আপনি সহজে আয় করতে পারবেন এর জন্য লাগবে আপনাকে ধৈর্য এবং সময়।

দেখা যাক, কিভাবে আপনি মোবাইল দিয়ে ইউটিউব থেকে আয় করতে পারবেন।

প্রথমে আপনাকে যা করতে হবে, নিজের একটি ইউটিউব চ্যানেল থাকতে হবে।

আর যদি না থাকে তাহলে খুব সহজেই ইউটিউব থেকে জিমেইলে লগইন করে আপনার নিজের ইউটিউব চ্যানেল বানিয়ে নিতে পারবেন।

আপনার হাতে থাকায় মোবাইল দিয়ে স্ক্রিন রেকর্ডার অ্যাপসের সাহায্যে খুব সহজে স্কিনের করা ভিডিওগুলো রেকর্ড করতে পারবেন।

 

ফানি ভিডিও করে আপলোড করা :

আপনি একটি মোবাইল ফোন দিয়ে আপনার বন্ধু-বান্ধব মিলে ফানি ভিডিও তৈরি করে তা খুব সহজেই ইউটিউবে আপলোড করবেন।

এবং আপনি মোবাইল দিয়ে সকল প্রকার ভিডিও এডিটিং কাজ করতে পারবেন এবং ইউটিউব থেকেই ফানি ভিডিওর জন্য সাউন্ড ডাউনলোড করে তা সহজেই ভিডিওতে সেট আপ করতে পারবেন।

 

ফটো এডিটিং টিউটোরিয়াল :

বর্তমানে ফটো এডিটিং এর উপর মানুষের আগ্রহ বেড়ে চলছে এবং এর একটি বিরাট অংশ প্রভাব ফেলে সোশ্যাল মিডিয়া।

অনেকেই চায় যে, তাদের ছবি সুন্দরভাবে এডিটিং করে সোশ্যাল মিডিয়াতে আপলোড করতে এবং এর বেশিরভাগ অংশই মোবাইল ব্যবহারকারী তারা মোবাইল দিয়ে ফটো এডিটিংয়ের জন্য বিভিন্ন রকম ভিডিও সার্চ করে।

আপনি যদি ফটো এডিটিং এর উপর দক্ষতা থাকে তাহলে খুব সহজেই আপনি ফটো এডিটিং এর ভিডিও আপলোড করে একটি ভাল সারা পাবেন।

মনিটাইজেশন এর জন্য আপনার চ্যানেল টি প্রস্তুত হলে গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে খুব সহজেই আপনার ভিডিওতে এড চালু করে আয় করতে পারবেন।

 

বিভিন্ন অ্যাপস রিভিউ ভিডিও :

বর্তমান সময়ে অনেক ধরনের অ্যাপস রয়েছে যা মানুষের সাথে খুব একটা পরিচিত নয় এবং তা কিভাবে ব্যবহার করে সেটাও জানেনা।

আপনি চাইলে সেসব অ্যাপসের ব্যবহারের নিয়ম এবং উপায়গুলো স্ক্রিন রেকর্ডার এর সাহায্যে ভিডিও করে সেগুলো ইউটিউবে আপলোড করতে পারেন।

দিনের পর দিন গুগল প্লে স্টোরে অনেক অ্যাপস ডেভলপার নতুন নতুন অ্যাপস নিয়ে আসছে। এবং তা খুব সহজে মানুষের মাঝে তুলে ধরার জন্য আপনি স্ক্রিন রেকর্ডার এর সাহায্যে ভিডিও রেকর্ড করে তা আপনার ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করবেন।

 

মোবাইল গেমস রিভিউ :

বর্তমানে সবার কছেই কম বেশি স্মার্টফোন রয়েছে এবং সকলেই মোবাইলে গেম খেলতে পছন্দ করে।

আর বর্তমানে পাবজি এবং ফ্রী ফায়ার নামক যে গেমটি রয়েছে এটার প্রতি অনেক আকর্ষণ রয়েছে।

আপনি চাইলে এই গেম গুলো কিভাবে প্লে করতে হয়।

কিভাবে কি করতে হয় খুঁটিনাটি বিষয়গুলো নিয়ে স্ক্রিন রেকর্ডারের সাহায্যে খুব সহজে মোবাইল থেকে ভিডিওগুলো আপলোড করতে পারবেন।

এবং তাছাড়া অন্যান্য নতুন ও পুরাতন গেমগুলোর সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা নিয়ে ভিডিও তৈরি করে আপনি ইউটিউবে আপলোড করতে পারেন এবং দেখবেন একটা সময় আপনার চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব হয়ে গেছে এবং মনিটাইজেশনের জন্য প্রস্তুত হয়ে গেছে আপনার চ্যানেল।

 

পড়াশোনা বিষয়ক ভিডিও :

পড়াশোনা বিষয়ক ভিডিও তৈরি করে সেগুলো আপলোড করতে পারেন।

আপনি ভাবছেন কিভাবে পড়াশোনা বিষয়ক ভিডিও আপলোড করবেন।

খুব সহজেই আপনি আপনার মোবাইল দিয়ে পড়াশোনার উপর ভিডিও তৈরি করতে পারবেন।

কিভাবে পড়ালেখা করলে ভাল রেজাল্ট পাওয়া যায় এবং বিভিন্ন রকম টিপস এবং ট্রিকস শেয়ার করে সহজেই আপনি ভিডিও তৈরি করতে পারেন।

বিভিন্ন রকম প্রশ্নের উত্তর নিয়ে খুব সহজেই আপনি মোবাইল ব্যবহার করে ভিডিও তৈরি করতে পারবেন।

আপনি ইচ্ছা করলে ম্যাথ ইংলিশ এবং অন্যান্য বিষয়গুলো মোবাইলের মাধ্যমে ভিডিও করে সেগুলো আপলোড করতে পারেন।

 

ফেসবুক থেকে আয় করা :

আমরা অনেকেই জানি যে, ফেসবুক কি?

কিন্তু, অধিকাংশ মানুষই জানে না যে ফেসবুক থেকেও আয় করা যায়।

বেশিরভাগ মানুষই জানে ফেসবুক হল সোশ্যাল শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম এবং এটিতে শুধু মাত্র প্রোফাইলে ছবি আপলোড শেয়ারিং এবং চ্যাটিং এর মধ্যে সীমাবদ্ধ।

কিন্তু বর্তমান সময়ে ফেসবুকের একটি বিরাট অংশ হল বিজনেস প্রমোট করা।

সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে ফেসবুকে এখন ব্যবসার একটি বিরাট অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এখানে আপনি আপনার ব্যবসার এড দিতে পারবেন এবং নিজের পেজ থেকে মনিটাইজ করে আয় করতে পারবেন।

আপনি যদি ফেসবুক থেকে ইনকাম করতে চান? তাহলে আপনার নিজস্ব একটি ফেসবুক পেজ থাকতে হবে।

শুধু ফেসবুক পেজ থাকলে হবেনা তাতে লাইক এবং ফলোয়ার থাকতে হবে।

গত কয়েক বছর ধরে ফেসবুক তাদের মনিটাইজেশন সিস্টেম চালু করেছে।

যার জন্য আপনি গুগল এডসেন্স এর মত Facebook Page মনিটাইজেশন এর মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন।

 

কিভাবে ফেসবুক থেকে ইনকাম করা যায় :

কিভাবে ফেসবুক থেকে আয় করতে পারবেন এ বিষয়ে কিছু আলোচনা করা হল।

ফেসবুক থেকে আয় করতে পারবেন তার ভিতরে ফেসবুক পেজ মনিটাইজেশন অন্যতম।

অন্য পদ্ধতি অবলম্বন করে ফেসবুক থেকে ইনকাম করতে পারবেন কিন্তু সেগুলোর ভেতর থেকে ফেসবুক পেজ মনিটাইজেশন করার সিস্টেম টা কি আমি রিকমেন্ড করব।

ফেসবুক পেজকে মনিটাইজেশন করতে হলে অবশ্যই আপনার পেজে ভিডিও কন্টেন্ট আপলোড করতে হবে।

 

ফেসবুক পেজ থেকে ইনকাম করার উপায় :

প্রথমে আপনাকে একটা টপিক বা নিস বেছে নিতে হবে এবং তার উপর আপনাকে ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করতে হবে আর আপনি এসব সকল কাজ আপনার মোবাইল ফোন দিয়েই করতে পারবেন।

মোবাইল দিয়ে এসব ভিডিও করতে পারবেন এবং আপনি খুব সহজেই আপনার ফেসবুক পেজে আপলোড করতে পারবেন।

আর আপনার ফেসবুক পেজকে ফেসবুক থেকে মনিটাইজেশন করার জন্য অবশ্যই আপনার পেজের লাইক ফলোয়ার ১০ হাজার হতে হবে এবং এক মাসের ভিউজ ৩০ হাজার থাকতে হবে।

সব কিছু ঠিক থাকলে আপনি আপনার পেজকে ফেসবুক থেকে মনিটাইজেশন করতে পারবেন এবং ফেসবুক এডস এর মাধ্যমে আয় করতে পারবেন।

আর এই ফেসবুক পেজ মনিটাইজেশন কিন্তু গুগল এডসেন্স এর সাথে কোন সম্পর্ক নেই।

ফেসবুক পেজ মনিটাইজেশন একমাত্র ফেসবুক কর্তৃপক্ষ থেকে এপ্রোভ নিতে হবে।

 

ফেসবুকের গ্রুপ থেকে আয় :

আপনি সহজেই ফেসবুক গ্রুপ থেকে আয় করতে পারবেন।

ভাবছেন কিভাবে আবার ফেসবুক গ্রুপ থেকে আয় করা যায়? আপনি খুব সহজে ফেসবুক গ্রুপ থেকে ইনকাম করতে পারবেন।

তবে আপনার নিজের একটি ফেসবুক গ্রুপ থাকতে হবে এবং তাতে অধিক সংখ্যক মেম্বার থাকতে হবে।

সেই গ্রুপ ব্যবহার করে আপনি বিভিন্ন প্রকার পণ্য প্রমোট করতে পারবেন এবং আপনি চাইলে সেই গ্রুপে ই-কমার্স ব্যবসা করতে পারবেন।

বিভিন্ন প্রকার পণ্য দ্রব্যের ছবি আপলোড করে সাথে প্রাইস এবং কন্টাক্ট নাম্বার দিয়ে প্রমোট করতে পারবেন।

আর এসব আপনি শুধুমাত্র আপনার হাতে থাকা মোবাইল দিয়ে খুব সহজেই করতে পারবেন।

আর আপনার গ্রুপ যদি ভাল একটিভ মেম্বার থাকে তাহলে খুব সহজেই আপনি আপনার গ্রুপকে রেন্ট হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।

যদি সহজ ভাষায় বলে আপনার গ্রুপে যদি এক লক্ষ মেম্বার বা তার উপরে থাকে।

তাহলে, অনেকেই আপনাকে গ্রুপে ভাড়া দিতে বলবে তার বিনিময়ে আপনি তাদের কাছ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণের অর্থ আয় করতে পারবেন প্রতিমাসে।

গ্রুপ ভাড়া বলতে বোঝায় যে, আপনি তাদেরকে মডারেটর পাওয়ার দিবেন এবং তারা সেই গ্রুপে বিভিন্ন প্রকার পণ্য দ্রব্য এবং ওয়েবসাইট লিংক শেয়ার করবে এবং তা থেকে আপনাকে প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করবে।

 

মোবাইলে ছবি তুলে বিক্রি করে আয় :

মোবাইলে ছবি তুলে বিক্রি করে আয় করা যায় এতে চোখ উপরে তোলার মতো কিছু নেই।

আপনি ইচ্ছা করলে আপনার মোবাইল দিয়ে ছবি তুলে তা এইচডি আকারে এবং সামান্য এডিটিং করে সহজেই অনলাইন মার্কেটপ্লেসে বিক্রি করতে পারবেন।

বর্তমান সময়ে এই রকম অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যাতে আপনি ছবি আপলোড করার পর সেখান থেকে কেউ ক্রয় বা ডাউনলোড করার পর আপনাকে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করবে।

আর আপনি সে অর্থ বিভিন্ন প্রকার মাধ্যমে রিসিভ করতে পারবেন অথবা ব্যাংকের মাধ্যমেও আপনি তুলতে পারবেন।

আর এই কাজগুলো আপনি খুব সহজেই মোবাইলের মাধ্যমে করতে পারবেন।

 

অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস থেকে আয় :

অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস থেকে আয় করা যায় এটা সঠিক।

তবে লং টাইম আয় করার জন্য আমি কখনো অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসের প্রতি আপনাদেরকে সাজেস্ট করব না কেননা এটা থেকে আয় করার চান্স খুব কম।

তবে ছোট ছোট কাজ করে পেমেন্ট নেওয়ার জন্যে এন্ড্রয়েড অ্যাপস আপনারা কাজ করতে পারেন।

আপনি গুগল ও ইউটিউব খুঁজলে অনেক ধরনের অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস পাবেন যেখান থেকে আপনারা খুব অল্প পরিমানে আয় করতে পারবেন।

কিন্তু কিছুদিন পর দেখা যায় যে তারা আর পেমেন্ট করে না সে জন্য আপনাদেরকে বলবো যে, এনড্রয়েড অ্যাপসের প্রতি খুব বেশি নির্ভরশীল না হওয়া ভাল।

বিভিন্ন ধরনের পিটিসি সাইট রয়েছে এবং ইনভেস্ট করা হয় এরকম অনেক সাইট রয়েছে আমি আপনাদেরকে ভালোর জন্য বলতেছি যে সকল ওয়েবসাইট ইনভেস্ট করলে কিছু অংশ টাকা পাবেন কিন্তু তার থেকে বেশি অংশ উধাও হয়ে যাবে।

যেমন-

  • Google Opinion Rewards
  • Champ Cash
  • Meesho
  • Cointiply
  • frapp
  • AppBuks
  • Loco
  • Perk app

 

সর্বোপরি বলব যে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস অথবা পিটিসি ওয়েবসাইটের প্রতি আগ্রহ না দেখিয়ে অন্যান্য বিষয়গুলো আলোচনা করেছি তার প্রতি আপনি মনযোগ দিতে পারেন।

 

লিংক ছোট করে আয় :

আপনি কি কখনো শর্ট লিংক এর কথা শুনেছেন?

আমি মনে করি, অবশ্যই আপনি শর্ট লিংকের কথা শুনেছেন।

অনেক সময় দেখেছেন যে কখনও কখনও আমাদের ফ্রেন্ড বা অন্য কেউ শর্ট লিংক করে আমাদেরকে কোন কিছু সেন্ড করে থাকে।

এর ভিতরে কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলো থেকে আপনি খুব সহজেই লিংক শর্ট এর মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারবেন।

আমি নিচে কিছু ওয়েবসাইটের নাম দিয়ে দিচ্ছি আপনি প্রত্যেকটিতে একটি করে অ্যাকাউন্ট করবেন এবং বিভিন্ন প্রকার অ্যাপস, গেমস এবং প্রয়োজনীয় সকল কিছু লিংকের মাধ্যমে আপনাদের বন্ধু এবং অন্যদের সাথে শেয়ার করবেন।

যখনই আপনার বন্ধু অথবা অন্য যে কেউ সেই লিঙ্কে প্রবেশ করবে সেখানে কিছু এড দেখতে পাবে।

এবং সে এডগুলোতে ক্লিক দেওয়ার পর আপনার একাউন্টে কিছু পরিমাণ অর্থ প্রদান করা হবে সেসব সাইট এবং একটি নির্দিষ্ট অ্যামাউন্ট হওয়ার পর আপনি সেই অর্থগুলো আপনার ব্যাংক বা অন্য কোন একাউন্টে ট্রান্সফার করে নিতে পারবেন।

আর এ সকল ছোট ছোট কাজগুলো আপনি খুব সহজেই মোবাইল ব্যবহার করে করতে পারবেন।

 

আপনারা হয়তো অনেকেই শুনেছেন কিভাবে মোবাইল দিয়ে অনলাইনে ইনকাম করতে হয়।

মানুষের মুখে মুখে শুনেছেন কিন্তু আসলে কিভাবে ইনকাম করতে হয়? কোথায় করতে হয়?

সঠিক গাইডলাইনের অভাবে আপনারা এতদিন করতে পারেননি।

ইতিমধ্যে আমি কিছু উপায় আপনাদেরকে দেখিয়েছি যে গুলো ফলো করলে আপনি খুব সহজেই মোবাইল ব্যবহার করে অনলাইন থেকে একটি ভাল পরিমাণে অর্থ আয় করতে পারবেন যদি আপনার ধৈর্য এবং সঠিকভাবে কাজ করতে থাকেন।

 

মন্তব্য:

পরিশেষে বলা যায় যে, মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করার উপায় সম্পর্কে এখানে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

সুতরাং, উপরে উল্লেখিত বিষয় গুলো জেনে কাজ করলে ইনশাআল্লাহ আপনি মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করতে পারবেন।

অতএব, আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন যে কিভাবে মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করতে পারবেন। এছাড়া আপনার যদি মোবাইল থেকে আয় করার সম্পর্কে কোন প্রশ্ন বা মতামত থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন।

আমাদের পোস্টটি যদি ভাল লেগে থাকে অবশ্যই আপনি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন।

এই ধরণের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে এবং টুইটারে ফলো করে রাখতে পারেন।

ধন্যবাদ

 

Leave a Comment