virtual assistant এর কাজ করে ঘরে বসে আয় করার উপায়

0Shares

 

অনলাইনে ঘরে বসে আয় করতে চান? অনলাইনে ঘরে বসে আয় করার মধ্যে virtual assistant হয়ে ইনকাম করা অন্যতম মাধ্যম।

নতুন যারা অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং জগতে পা রাখছেন, তাদের জন্য ভার্চুয়াল অ্যাসিস্টেন্ট জব দিয়ে শুরু করাটা অনেক সহজ হবে।

ভার্চুয়াল অ্যাসিস্টেন্ট মানে ক্লায়েন্টের হয়ে কোন কাজ আপনি করে দেবেন।

এ ক্ষেত্রে ঠিক কোন কাজ করে দেওয়াটা ভার্চুয়াল অ্যাসিস্টেন্ট ক্যাটাগরির মধ্যে পড়ে, তার ধরা বাধা কোন নিয়ম নেই।

মাইক্রোসফট অফিস এর কাজ থেকে শুরু করে অনেক সময় ছোটখাটো গ্রাফিক্স ও ওয়েব রিসার্চ এর কাজও ভার্চুয়াল অ্যাসিস্টেন্ট জব রিকুয়্যারমেন্ট এর মধ্যে দেখা যায়।

ভার্চুয়াল অ্যাসিস্টেন্ট জব করার জন্য মাইক্রোসফট অফিস এবং এক্সেল এর কাজ জানা থাকলেই শুরু করা যেতে পারে।

আবার যারা ইন্টারনেটে ভাল তথ্য খুঁজে বের করতে পারেন। তারা ওয়েব রিসার্চ জাতীয় কাজগুলো দিয়ে শুরু করতে পারেন।

 

virtual assistant এর কাজ করে আয় করার উপায় :

মূলত বায়ারের কোন কাজ গুলো প্রয়োজন হতে পারে, তা বুঝে নিয়ে আপনি আপনার স্কিল তৈরি করেও কাজ করতে পারেন।

আর virtual assistant হিসেবে কাজ শুরু করার জন্য নিচের এই কাজগুলো সম্পন্ন করুন।

 

১. কোন ধরনের কাজ করবেন :

ক্লায়েন্ট এর জন্য কোন ধরনের কাজ করবেন তা আগে ঠিক করুন।

একটু আগেও আমি বলেছি যে, ভার্চুয়াল অ্যাসিস্টেন্ট ঠিক কোন কাজ করবে, আর কোন কাজ করবে না – তার কোন ধরা বাধা নিয়ম নেই।

তবে সাধারনত ভার্চুয়াল অ্যাসিস্টেন্ট জব বলতে বেশিভাগ মানুষ নিচের কাজগুলোই বুঝিয়ে থাকে।

যেমন-

১. বায়ার এর ইমেইল ও ইমেইল নিউজলেটার ম্যানেজ করা

২. সোস্যাল মিডিয়া পোস্ট করা

৩. সোস্যাল মিডিয়া পোস্ট তৈরি করা

৪. ডাটা এন্ট্রি বা এক্সেল এর কাজ করা

৫. কপিরাইটিং অর্থাৎ মার্কেটিং কনটেন্ট লিখা

৬. গুরুত্বপূর্ন ফাইল ব্যাকআপ করা

৭. কাস্টমার সার্ভিস কল এবং ম্যাসেজিং

৮. ফাইল ডাউনলোড বা আপলোড করা

৯. ওয়েব রিসার্চ করা

১০. ছবি নিয়ে কাজ করা ইত্যাদি।

এর মধ্যে থেকে যেকোন কাজ আপনার ভাল লাগলে তা নিয়ে কাজ করা শুরু করতে পারেন।

এছাড়াও আপনি নিজে খুঁজে বের করতে পারেন যে, কারও ব্যাবসায়িক প্রয়োজনে কোন ধরনের কাজ একজনবায়ার আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে বাইরে থেকে করিয়ে নিতে পারে।

এভাবে আপনি আপনার পছন্দের কাজটি খুঁজে বের করতে পারবেন।

আরও পড়ুন-

 

২. কাজ করার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা :

আপনি virtual assistant হিসেবে কাজ করার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা ঠিক করুন।

আপনি প্রতিদিন ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য আলাদা নির্দিষ্ট একটি যায়গা নির্বাচন করে নিতে পারলে মানসিক দিক দিয়ে তা অনেক সাহায্য করে।

যদিও এই ধাপটি তেমন আবশ্যক নয়, তারপরও সম্ভব হলে কাজ করার জন্য আলাদা একটি জায়গা নির্ধারণ করে রাখুন।

 

৩. কতটুকু সময় ও শ্রম দিতে চান :

কতটুকু সময় ও শ্রম দিতে চান তা পরিষ্কার ভাবে ঠিক করুন।

freelance virtual assistant এর কাজ আপনি সপ্তাহে কতদিন কোন কোন সময়ে করতে পারবেন।

তা আগে থেকে নির্ধারন করতে হবে এবং সেই সময় অনুযায়ী কাজ করতে হবে।

আপনি যদি পড়ালেখা বা জব এর পাশাপাশি এই কাজটি করতে চান, তাহলে সেই অনুযায়ী শিডিউল তৈরি করুন এবং তাতে লেগে থাকুন।

 

৪. ওয়েবসাইট বা পোর্টফোলিও তৈরি করুন :

আপনার পোর্টফোলিও বা ওয়েবসাইট তৈরি করুন। পোর্টফোলিও তৈরিতে কিছুটা সময় দিন।

ভার্চুয়াল অ্যাসিস্টেন্ট কাজের ক্ষেত্রে আপনি যেই ধরনের কাজ করতে আগ্রহী, সেই কাজের মত আপনি পূর্বে অন্য কোন কাজ করেছেন তা ক্লায়েন্টকে দেখাতে পারলে আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশেই বেড়ে যাবে।

তাই আপনি যদি ফিলান্স জগতে একেবারে নতুন ও হয়ে থাকেন, তারপরও নিজে নিজেই কিছু কাজ করে তা দিয়ে একটি পোর্টফোলিও তৈরি করুন।

অথবা আরও ভাল হয় একটি ওয়েবসাইটে আপনার কাজগুলো তুলে ধরতে পারলে।

সেখানে আপনার পূর্বের কাজের পাশাপাশি আপনার স্কিল এবং যোগাযোগের সকল তথ্য দেওয়া থাকবে। তাতে বায়ার পাওয়া সহজ হবে।

অবশ্যই পড়ুন-

 

৫. বায়ার খোঁজা শুরু করুন :

সব পূর্ব প্রস্তুতির পর এবার বায়ার খোঁজা এবং কাজ পাওয়ার পালা।

অনলাইনে অনেক ফিলান্স মার্কেটপ্লেস রয়েছে ভার্চুয়াল অ্যাসিস্টেন্ট কাজ পাওয়ার জন্য।

বর্তমানে বাংলাদেশের জন্য আপওয়ার্ক এবং ফাইভার অনেক বেশি জনপ্রিয় ও নিরাপদ মার্কেটপ্লেস।

আপনিও এ প্লাটফর্ম গুলো ব্যাবহার করে আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন।

 

৬. কিভাবে আয় করা টাকা আনবেন :

কিভাবে আয় করা টাকা দেশে আনবেন তা ঠিক করুন।

বাংলাদেশে পেপাল না থাকলেও বাহিরের দেশ থেকে আয় করা টাকা আনা এখন অনেকটাই সহজ হয়ে গিয়েছে।

বিভিন্ন উপায়ে এখন অন্যান্য দেশ থেকে বাংলাদেশে বৈধ পথেই টাকা আনা যায়।

যেমন, পেওনিয়ার এর মাধ্যমে, সরাসরি ব্যাংকে, জুম, স্বাধীন কার্ড, সরাসরি চেক ইত্যাদি।

তাই আপনি যেই মার্কেটপ্লেসে কাজ শুরু করতে চাচ্ছেন, তারা কোন মাধ্যম সাপোর্ট করে এবং আপনি কোন মাধ্যমে আয় করা টাকা আনতে চাচ্ছেন তা আগেই নিশ্চিত হয়ে নিন।

পরামর্শ : নতুন freelance virtual assistant এর জন্য ফাইভার বেশি কার্যকর।

কারণ নতুনরা মার্কেটপ্লেসে কাজ করার জন্য অগ্রিম কানেকশন/বায়ার রিকোয়েস্ট কেনার সামর্থ রাখে না। সেক্ষেত্রে ফ্রী অপশন অর্থাৎ ফাইভারই উত্তম।

সর্তকতা : ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে ভার্চুয়াল অ্যাসিস্টেন্ট জব করতে হলে প্রথমে আপনাকে যেকোন বিষয়ে দক্ষ হয়ে যেতে হবে। তা নাহলে সফলতা অর্জন করতে পারবেন না।

অবশ্যই পড়ুন-

 

উপসংহারে,

পরিশেষে বলা যায় যে, virtual assistant এর কাজ করে ঘরে বসে আয় করার উপায় সম্পর্কে এখানে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

সর্বোপরি, উপরে উল্লেখিত বিষয় গুলো জেনে কাজ করলে ইনশাআল্লাহ আপনি ভার্চুয়াল অ্যাসিস্টেন্ট জব করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

আমরা এই পোস্টে জানলাম, virtual assistant এর কাজ করে ঘরে বসে আয় করার উপায় সম্পর্কে।

এই পোস্টের বিষয়ে আপনার কিছু জানার থাকলে বা কোন প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

পোস্টটির মাধ্যমে উপকৃত হয়ে থাকলে অবশ্যই লাইক দিয়ে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে আমাকে অনুপ্রাণিত করবেন।

সবসময় সুস্থ, সুন্দর ও নিরাপদে ভাল থাকবেন। আমাদের আরও অন্যান্য পোস্টগুলো ভাল লাগলে অবশ্যই পড়তে পারেন।

পরবতীর্তে আমাদের ওয়েবসাইটে আসার অনুরোধ করছি। এই ধরণের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে এবং টুইটারে ফলো করে রাখতে পারেন।

ধন্যবাদ

 

Leave a Comment