সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কি? Social media marketing এর সুবিধা কি?

0Shares

 

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করে বড় বড় কোম্পানির মালিক ও বিজনেসম্যান নির্দিষ্ট পন্য বা সার্ভিস সেল করে। Social media marketing এর সুবিধা অনেক।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কি – আজকের যুগে বেশিরভাগ মানুষ সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে।

যেখানে সাধারন ইউজারের সাথে সাথে বিভিন্ন বড় বড় কোম্পানির মালিক এবংব্যবসায়ীগন একটিভ থাকে।

সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে কোন ইউজারকে, গ্রাহক বানিয়ে নির্দিষ্ট পন্য এবং সার্ভিস এর মার্কেটিং করা হয়। তাকে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বলে।

আজকাল মানুষ Facebook, Instagram, Twitter, Pinterest, WhatsApp এর মত পপুলার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এ একটিভ থাকে এবং বিভিন্ন মার্কেটার বিভিন্ন টেকনিকের মাধ্যমে মার্কেটিং করে পন্য বা সার্ভিস গুলিকে বিক্রয় করে।

যদি আপনার কাছে সমস্যা সমাধানের পণ্য থাকে।

তাহলে সেটি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে কিছু প্লানিং এর সাহায্যে সেগুলিকে কাস্টমার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারবেন।

যদি আপনিও কোন বিজনেস করে থাকেন এবং নির্দিষ্ট গ্রাহক পর্যন্ত পৌঁছাতে চান।

তাহলে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে কাস্টমারদের যোগাযোগ করে তাদের সাথে পণ্য সম্পর্কে আলোচনা করতে পারেন।

কিন্তু এটি করার জন্য আপনাকে Social media marketing সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।

আজ এই আর্টিকেলে আমরা জেনে নিব –

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কি বা কাকে বলে এবং কিভাবে করতে হয়?

 

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কি – What is social media marketing :

কোন মার্কেটিং এজেন্সি কোন প্রোডাক্ট বা পন্য সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্যে প্রমোট করে এবং মার্কেটিং করে, সেটিকে গ্রাহক পর্যন্ত পৌঁছানোর জন্য যে সমস্ত জিনিস গুলি করে থাকে, তাকে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বলে।

যেহেতু এই ধরনের মার্কেটিং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এর মাধ্যমে করা হয়ে থাকে।

সেই কারণে এই ধরনের মার্কেটিংকে Social media marketing নাম দেওয়া হয়।

এক কথায় বলা যায় – সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে কোন প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের মার্কেটিং করলে তাকেই সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বলে।

Social media marketing এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট পন্যকে নির্দিষ্ট গ্রাহক এর কাছে, খুব সহজেই পৌঁছে দেওয়া যায়।

সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে মার্কেটিং করবার জন্য কাস্টমারদের সাথে যোগাযোগ করতে আলাদা আলাদা কৌশল এর ব্যবহার করা হয়।

যার মাধ্যমে কাস্টমার প্রোডাক্ট নিতে বাধ্য হয়।

সোশ্যাল মিডিয়া marketer, text/video form এ product advertising এর সাহায্যে নির্দিষ্ট প্রোডাক্টের গুন, সুবিধা, অসুবিধা, দাম সব কিছু কাস্টমারকে বলে দেয়।

এবং কখনও কখনও কনটেন্ট ক্রিয়েটর তাদের ওয়েবসাইট এবং ব্লগে ট্রাফিক নিয়ে আসার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করে, সাইটের মধ্যে টার্গেট অডিয়েন্স নিয়ে আসার জন্য।

এবং, তাদের ওয়েবসাইটের মধ্যে নির্দিষ্ট পন্য লিস্টিং করে, কাস্টমারদের সেই পন্য সম্পর্কে পুরো ইনফরমেশন দেয়।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করার জন্য বিভিন্ন ধরনের আলাদা আলাদা জিনিস অনুসরণ করতে হয়। সেগুলি হল –

  • Content writing
  • Video Making
  • Product design
  • Social media Page creating
  • Infographic Create
  • Price discussion etc.

বিভিন্ন ধরনের মার্কেটিং এজেন্সি, এই জিনিসগুলো কে আলাদা আলাদা ভাবে তৈরি করে, এগুলির দ্বারা মার্কেটিং করে থাকে।

 

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর সুবিধা :

Benefits of social media marketing –

১. ব্র্যান্ড সচেতনতা বৃদ্ধি করে

২. অনেক বেশি ট্রাফিক পাওয়া যায়

৩. গ্রাহক সন্তুষ্ট হয়ে থাকে

৪. টার্গেটেড অডিয়েন্স পাওয়া যায়

৫. ওয়েবসাইট এর Search engine ranking improve হয়

৬. Social media তে নিজস্ব কোম্পানির ব্র্যান্ড বানানো সহজ হয়

৭. খরচ কম হয়।

 

Social media marketing কেন করবেন?

১. ব্র্যান্ড সচেতনতা বাড়ানোর জন্য

২. গ্রাহক এর চাহিদা বোঝার জন্য

৩. অতিরিক্ত প্রকৃত গ্রাহক পর্যন্ত পৌঁছানোর জন্য

৪. Trending product সম্পর্কে নতুন ইনফরমেশন পাওয়ার জন্য

৫. অনেক কম খরচে ads চালিয়ে পণ্য প্রচার করবার জন্য।

 

কিভাবে Social media marketing করে :

যদি আপনি সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং সম্পর্কে বুঝে গিয়ে থাকেন।

তাহলে, এখন আমরা সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কিভাবে করতে হয় এটি জানব।

সোশ্যাল মিডিয়া এর মাধ্যমে মার্কেটিং করার আলাদা আলাদা কৌশল রয়েছে।

যেটি আপনি সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কোর্স করে প্রশিক্ষণ নিতে পারেন।

নিচে আমরা কিছু মৌলিক কৌশল সম্পর্কে আলোচনা করব।

যেগুলি বেশিরভাগ সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটার অনুসরণ করে।

 

সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি :

Social media marketing করবার জন্য সর্বপ্রথম আপনাকে সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়াতে একাউন্ট বানাতে হবে।

যার মাধ্যমে আপনি টার্গেট অডিয়েন্স দের অনুসরণ করে তাদের পছন্দের উপর ভিত্তি করে, আপনার পন্য এবং সার্ভিস গুলি তাদের কাছে পৌঁছাতে পারবেন।

এইজন্য আপনি সোশ্যাল মিডিয়ার গ্রুপ গুলিতে জয়েন করবার পর কাস্টমারদের সাথে যোগাযোগ করে আপনার সমস্যা সমাধান পণ্য বা পরিষেবা সম্পর্কে জানাতে পারেন।

এবং, ধীরে ধীরে সে সমস্ত কাস্টমারদের সাথে পার্সোনালি কথা বার্তা বলে আপনার পণ্য সম্পর্কে আলোচনা করতে পারেন।

 

Popular social media platform :

সব থেকে জনপ্রিয় যে সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলি আছে সেগুলি হল –

  • Facebook
  • Twitter
  • linkedin
  • Instagram
  • Pinterest

আপনি এই সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলিতে অ্যাকাউন্ট বানিয়ে, আজ থেকেই কাস্টমারদের অনুসরণ করা শুরু করুন।

 

১. বিষয়বস্তু পরিকল্পনা :

পন্য মনস্থির করবার পর সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ যে অংশটি সেটি হল বিষয়বস্তু পরিকল্পনা।

এখানে নির্দিষ্ট পন্যটি সম্পর্কে কাস্টমারদের সমস্ত তথ্য দিতে হবে।

যেখানে পন্যটি সম্পর্কে বিবরণ, মূল্য, টাকা ফেরত গ্যারান্টি, কি কাজে লাগবে, কেন গুরুত্বপূর্ণ এই সমস্ত কিছু সেট করুন।

প্রোডাক্ট সম্পর্কে বিষয়বস্তু গুলি এমনভাবে সাজান, যেন কাস্টমার দেখা মাত্র পন্য সম্পর্কে আইডিয়া নিতে পারে।

 

২. পণ্য টার্গেটিং :

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করবার জন্য আপনি কোন প্রোডাক্টটি মার্কেটিং করতে চান এটি স্থির করুন।

এরপর টার্গেট অডিয়েন্স, কোন প্লাটফর্মে সব থেকে বেশি পাবেন এটি নিয়ে চিন্তা করতে থাকুন।

 

৩. সোশ্যাল মিডিয়া পেজ তৈরী :

যদি আপনি কোন কোম্পানির প্রোডাক্ট বা নিজস্ব বিজনেস প্রোডাক্ট মার্কেটিং করতে চান।

তাহলে, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলিতে সেই প্রোডাক্ট সম্পর্কিত কয়েকটি পেজ তৈরি করুন।

যেখানে এই কোম্পানি বা বিজনেস সম্পর্কে সমস্ত ডিটেলস তথ্য মজুত থাকবে।

যার মাধ্যমে কোন টার্গেট অডিয়েন্স নির্দিষ্ট পেজটিতে আসার পর, কোম্পানি এবং প্রোডাক্ট সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য খুব সহজেই পেয়ে যাবে।

এছাড়াও আপনি এই পেজটির মধ্যে প্রোডাক্ট সম্পর্কে প্রতিদিন নতুন নতুন কনটেন্ট এবং ইমেজ পোস্ট করুন।

এর সাহায্যে কাস্টমার এই প্রোডাক্টটি নিতে আগ্রহী হবে।

 

৪. প্রতিযোগী গবেষণা :

আমরা সবাই জানি যে আজকাল যে কোন কাজের মধ্যে প্রতিযোগীতা এবং প্রতিযোগী অবশ্যই থাকবে।

আপনার এই সকল কাজ করার সাথে সাথে আপনার প্রতিযোগীরা কি করছে এটাও নজর রাখতে হবে।

এটি নজর রাখবেন যে তারা এমন কি করছে যার জন্য তারা এগিয়ে যাচ্ছে এবং আপনি পেছনে রয়েছেন।

এছাড়া আপনি এমনকি করতে পারেন যেটা তারা করতে পারবে না। এমন ভাবে চিন্তা করলে আপনিও তাদের থেকে অনেক আগে পৌঁছে যাবেন।

 

৫. মার্কেটপ্লেস রিসার্চ :

প্রতিযোগী গবেষণা এর সাথে সাথে মার্কেটপ্লেস ইনসাইটস রিসার্চ এর উপর নজর রাখতে হবে।

মানে আজকের দিনে কোন প্রোডাক্টটি সব থেকে চলমান আছে, কোন প্রোডাক্ট গুলি মানুষ বেশি পছন্দ করেছে, লক্ষ্যযুক্ত গ্রাহক এর সামনে কী ধরনের প্রোডাক্ট রাখা দরকার – মার্কেটিং করতে হলে এই সমস্ত কিছুর উপর নজর রাখতে হবে।

কারণ আপনি যদি মানুষের সমস্যা সমাধানের পণ্য বা সেবা প্রদান না করেন তাহলে আপনার ব্যবসা কখনোই বড় হবে না।

 

৬. অ্যাডভার্টাইজমেন্ট :

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, সেটি হল অ্যাডভার্টাইজমেন্ট।

যদি আপনি উপরের এই সমস্ত কিছু টেকনিক গুলি করতে না জানেন।

তাহলে আপনার পক্ষে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করার একমাত্র রাস্তা হল অ্যাডভার্টাইজমেন্ট।

এটা সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করার সব থেকে বড় সুবিধা।

আপনি পপুলার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলিতে সঠিক বয়সের ক্রেতাদের লক্ষ্য করতে পারবেন।

Facebook ads program, LinkedIn ads program এবং google adwords সব থেকে জনপ্রিয় বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক।

যেগুলি আপনাকে খুব সহজে targeted audience প্রোভাইড করবে।

 

৭. ইনফোগ্রাফিক্স ইমেজ ব্যবহার করা :

ক্রেতাদের মধ্যে engagement বাড়ানোর জন্য সবসময় ইনফোগ্রাফিক্স ইমেজ ব্যবহার করুন।

বড় বড় কোম্পানি ইনফোগ্রাফিক্স ইমেজ এর মাধ্যমে কাস্টমারকে প্রোডাক্ট এর দিকে আকর্ষণ বাড়ায়।

 

কোথায় সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করবেন :

Social media marketing করবার জন্য যে সমস্ত পপুলার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলি আছে।

সেগুলো থেকে খুব সহজেই মার্কেটিং করতে পারবেন। জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম গুলি হল –

 

ফেসবুক

আজকের দিনে পৃথিবীর সব থেকে বড় এবং নাম্বার ওয়ান সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম হল ফেসবুক।

যেখানে ১০০ বিলিয়ন এর উপর অ্যাক্টিভ ইউজার রয়েছে।

ফেসবুকের মাধ্যমে প্রত্যেকদিন ছোট থেকে ছোট এবং বড় থেকে বড় ব্যবসা গুলি প্রমোট করানো হয়ে থাকে।

যদি আপনি ফেসবুকের মাধ্যমে মার্কেটিং করতে চান তাহলে বিনামূল্যে পেজ তৈরি করে কাস্টমার যোগ করতে বা বাড়াতে পারেন।

এছাড়া facebook ads program join করে, পণ্য এর ads চালাতে পারেন।

 

টুইটার

টুইটার একটি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম।

যেখানে আপনি সাধারন মানুষের সাথে সাথে বড় বড় ব্যবসায়ী  এর সাথে ব্যবসা গড়ে তুলতে পারবেন।

এবং, টুইটারে আপনি ফলোয়ার্স এর মাধ্যমে আপনার প্রোডাক্টের মার্কেটিং খুব সহজে করতে পারেন।

 

লিঙ্কডিইন

এখানেও অনেক বড় বড় ব্যবসায়ী  এক্টিভ থাকে।

Linkedin এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজে টার্গেট অডিয়েন্স পর্যন্ত পৌছাতে পারবেন।

এছাড়াও আপনি Linkedin ads প্রোগ্রাম ব্যবহার করেও মার্কেটিং করতে পারেন।

 

ইনস্টাগ্রাম

ইনস্টাগ্রামে অনেক ধরনের আলাদা আলাদা প্রভাবক রয়েছে।

যারা তাদের fans base তৈরি করে, fans দের মাঝে নিত্য নতুন পন্য এবং সার্ভিসের প্রমোশন করে থাকে।

আপনি ইন্সটাগ্রাম এর সাহায্যে influencer দের সাথে যোগাযোগ করে আপনার পন্য প্রমোট করতে পারেন।

 

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করার নিয়ম নীতি :

Social Media Marketing করার কিছু নিয়ম ও নীতি আছে।

ডিগ্রি অনুসরণ করলে আপনি সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করে অবশ্যই সফল হবেন।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং নীতি গুলি নিচে দেখে নিন।

 

১. Law of Focus :

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলিতে প্রডাক্ট সম্পর্কে সব থেকে ভাল কনটেন্ট প্রোভাইড করুন।

যার মাধ্যমে কাস্টমার খুব সহজেই engage হয়ে যায়।

 

২. Law of Listening :

আপনার টার্গেট কাস্টমারদের ট্র্যাক করতে থাকুন এবং তারা কি চাইছে, সেই হিসেবে তাদের সামনে পণ্য প্রদর্শন করুন।

এর জন্য তাদের সাথে প্রডাক্ট সম্পর্কে আলোচনা করুন।

 

৩. Law of Quality :

টাকার থেকে সর্বপ্রথম কাস্টমার এর পন্যের কোয়ালিটির উপর নজর রাখুন।

যদি আপনি আপনাকে ভাল প্রোডাক্ট কাস্টমারকে দিতে পারেন।

তাহলে আপনার ব্যবসা অটোমেটিক বেড়ে ওঠা শুরু করবে।

 

৪. Law of patience :

যে কোন জিনিস রাতারাতি সাকসেসফুল হয় না।

এর জন্য আপনাকে কাজ চালিয়ে যেতে হবে এবং ধৈর্য রাখতে হবে।

আপনি যদি ধৈর্য ধরে কাজ চালিয়ে যেতে পারেন। তাহলে আপনি একদিন অবশ্যই সফল হবেন।

 

পরামর্শ : আপনি চাইলে Social media marketing কাজ শিখে আয় করতে পারেন।

বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করে নির্দিষ্ট প্রোডাক্ট এবং সার্ভিস সেল করা যায়।

 

মন্তব্য :

পরিশেষে বলা যায় যে, আশা করি উপরের ইনফরমেশন থেকে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কি? Social media marketing এর সুবিধা কি এবং কেন করবেন এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন।

সর্বোপরি, উপরে উল্লেখিত বিষয় গুলো জেনে কাজ করলে ইনশাআল্লাহ আপনি Social media marketing শিখে ইনকাম করতে পারবেন।

এই পোস্টের বিষয়ে আপনার কিছু জানার থাকলে বা কোন প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

পোস্টটির মাধ্যমে উপকৃত হয়ে থাকলে অবশ্যই লাইক দিয়ে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন।

সবসময় সুস্থ, সুন্দর ও নিরাপদে ভাল থাকবেন।

আমাদের আরও অন্যান্য পোস্টগুলো ভাল লাগলে অবশ্যই পড়তে পারেন। পরবতীর্তে আমাদের ওয়েবসাইটে আসার অনুরোধ করছি।

এই ধরণের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে এবং টুইটারে ফলো করে রাখতে পারেন।

ধন্যবাদ

 

Leave a Comment